এ সময় বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সদ্য বিদায়ী চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এম সানাউল হক, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সদ্য নিযুক্তপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এহসানুল গনি চৌধুরী, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ ও হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ইবিএল ব্যাংকের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও নভো এয়ার এর উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
নভো এয়ার এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মফিজুর রহমান বলেন, ৬৮টি আসন বিশিষ্ট এটিআর ৭২-৫০০ মডেলের উড়োজাহাজ দিয়ে সৈয়দপুর রুটে প্রতিদিন দুইটি করে ফ্লাইট পরিচালনা করছেন ভোএয়ার।এছাড়া ১লা এপ্রিল থেকে রাজশাহীরুটে সোম, বুধ ও শুক্রবারেপ্ রতিদিন একটি ফ্লাইট ও ২রা এপ্রিল থেকে বরিশাল রুটে মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি ও রোববার প্রতিদিন একটি ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে। এর ফলে অভ্যন্তরীণ রুটের সাতটি গন্তব্যেই ফ্লাইট পরিচালনা করবে ন ভো এয়ার।
তিনি বলেন, চট্টগ্রাম, যশোর, কক্সবাজার, সিলেট, সৈয়দপুর, রাজশাহী ও বরিশালের সম্মানিত যাত্রীরা ঢাকায় কানেক্টিং ফ্লাইটের মাধ্যমে এক গন্তব্য থেকে আরেক গন্তব্যে ভ্রমণ করতে পারবেন মাত্র ছয় হাজার টাকায়। এর ফলে দেশের পর্যটন শিল্প ও ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসারেও সহায়তা করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
বর্তমানে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, সৈয়দপুর, সিলেট ও যশোর রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করছে নভো এয়ার। এছাড়াও আন্তর্জাতিক রুটে ঢাকা-ইয়াঙ্গুন রুটে সপ্তাহে তিনটি করে ফ্লাইট পরিচালনা করছে বিমানসংস্থাটি। শিগগিরই কলকাতা, গৌহাটি ও কাঠমুন্ডুতে ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করবে নভো এয়ার।
এ সময় হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ইস্যুতে চাপের মুখে থাকার কথা স্বীকার করলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন।
মন্ত্রী বলেন, ‘বিমানবন্দরের নিরাপত্তা নিয়ে চাপের মুখে আছি। তবে এ সমস্যা নিরসনে যতো শিগগিরই সম্ভব ব্যবস্থা নিয়েছি। আশা করছি তাড়াতাড়ি এ সমস্যার সমাধান হবে।
তিনি অারও বলেন, যুক্তরাজ্য বাংলাদেশ থেকে সরাসরি কার্গো যাতায়াতের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। যদি তারা রাজনৈতিকভাবে এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ না করে থাকে তবে আশা করছি খুব অল্প সময়ের মধ্যেই এ নিষেধাজ্ঞা উঠে যাবে। আজ থেকে বিমানবন্দরের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক প্রতিষ্ঠান রেডলাইন।
এ সময় শাহজালাল বিমানবন্দরে বেসরকারি এয়ারলাইন্সগুলোর হ্যাঙ্গার সুবিধা বৃদ্ধির দাবির প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করে রাশেদ খান মেনন বলেন, আমাদের এয়ারলাইন্সগুলো বারবার হ্যাঙ্গার সুবিধা বৃদ্ধির কথা বলেছে। বেবিচকের নতুন চেয়ারম্যানের কাছে আমাদের অনুরোধ থাকবে যাতে হ্যাঙ্গার সুবিধা বৃদ্ধি করা হয়। এক সময় বারবার বলা হতো অভ্যন্তরীণ ক্ষেত্রে ফ্লাইট পরিচালনা লাভজনক নয়। আমি দায়িত্ব পাওয়ার পরপরই অভ্যন্তরীণ রুটে বিমান চলাচল শুরু করার বিষয়ে জোর দিয়েছি।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সাবেক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এম সানাউল হক বলেন, বিনিয়োগ ও নিরাপত্তাই এয়ারলাইন্স ব্যবসায়ের সফলতার চাবিকাঠি। যে কোনো এয়ারলাইন্সকে বিনিয়োগ করার সময় অবশ্যই নিরাপত্তাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে হবে।