দলটি বলেছে, নিষ্ক্রিয়তার কারণে নির্বাচনে সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ডের দায় সরকার ও ইসি কোনোভাবেই এড়াতে পারে না।
বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় রাজধানীর নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের কেন্দ্রীয় দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ এসব কথা বলেন।
নির্বাচন কমিশন (ইসি) বিপথগামী ও বেআইনি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে এমন অভিযোগ করে রিজভী আহমেদ বলেন, ‘নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে এবং সহিংসতা প্রতিরোধে ইসি কোনো ভূমিকাই পালন করেনি। শুধু দায়সারাভাবে কিছু কথা বলেছে। তারা কার্যকর পদক্ষেপ নিলে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এতগুলো মানুষকে জীবন দিতে হতো না। সুতরাং এতগুলো প্রাণহানির জন্য নির্বাচন কমিশন দায়ী। সরকারের প্রতি তাদের আনুগত্য ও সেবাদাসমূলক আচরণে এতো মানুষের জীবনহানি হল।’
এ প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন, ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) নিজেই বলেছেন, সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রযন্ত্র সহযোগিতা করছে না। সুতরাং সেই ক্ষেত্রে সিইসি নিজস্ব শক্তি প্রয়োগে যাবতীয় ব্যবস্থা নিতে পারতেন। কিন্তু তিনি সেটি না করে অনুগত হয়ে প্রভুর মনোবাঞ্ছাই পূরণ করলেন। আর নির্বাচন শেষে অত্যন্ত নির্লজ্জভাবে বললেন, নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে।’
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন-বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, বিএনপির শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক খায়রুল কবির খোকন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, সহ-দপ্তর সম্পাদক আব্দুল লতিফ জনি, আসাদুল করিম শাহীন, স্বেচ্ছাসেবক দলের দপ্তর সম্পাদক আক্তারুজ্জামান বাচ্চু প্রমুখ।