তিনি বলেন, যুক্তরাজ্য বাংলাদেশ থেকে কার্গো ফ্লাইট পরিচালনায় নিষেধাজ্ঞা প্রয়োগের পর কিছু শর্ত দিয়েছিলো। ৩১ মার্চের মধ্যে সেসব শর্তপূরণ না করা হলে যাত্রীবাহী ফ্লাইট পরিচালনার ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারে দেশটি। তাই নিরাপত্তার ক্ষেত্রে আমরা নানা পদক্ষেপ নিচ্ছি। যুক্তরাজ্যভিত্তিক কোম্পানি রেডলাইনের সঙ্গে আমাদের চুক্তি হয়েছে। তারা বিমানবন্দরের নিরাপত্তার বিষয়ে কাজ করছে।
তিনি বলেন, গত বছরের ২৫ অক্টোবর থেকে আমরা নিরাপত্তা ইস্যুতে কাজ করছি। নিজেদের উদ্যোগেই আমরা করছি। বিদেশি নিরাপত্তা কোম্পানির কর্মীরা দক্ষ। তারা জানেন, আধুনিক মেশিন কিভাবে যথার্থভাবে চালাতে হয়। আমাদের স্বল্প জনবলের কথা উল্লেখ করে আমরা সরকারের কাছে চিঠি পাঠিয়ে দিয়েছি।
প্রতিদিন হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপত্তার জন্য ৭২০ জন লোকবল প্রয়োজন বলেও জানান এস এম সানাউল হক।
যুক্তরাজ্য সরকার তাদের ওয়েবসাইটে ‘বাংলাদেশ এয়ারপোর্ট আপডেট’ শীর্ষক বিজ্ঞপ্তিতে নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে সম্প্রতি বাংলাদেশ থেকে সরাসরি কার্গো বিমান পরিবহনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। পশ্চিমা অন্যান্য দেশগুলোর পক্ষে যুক্তরাজ্যের বিমান নিরাপত্তা বিষয়ক দফতর বিশ্বের ২০টি দেশের ৩৮টি বিমানবন্দরের তালিকা তৈরি করেছে। ওই তালিকায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রয়েছে। এ প্রেক্ষিতে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা জোরদারে সচেষ্ট হয়েছে বাংলাদেশ।
গত ২০ মার্চ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে যুক্তরাজ্যভিত্তিক নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান রেডলাইন এভিয়েশন সিকিউরিটি লিমিটেডকে পরামর্শক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এতে মোট ব্যয় হবে ৭৩ কোটি ২৫ লাখ টাকা।
উল্লেখ্য গত ১৩ মার্চ এবিএম সানাউল হককে সিভিল এভিয়েশনের চেয়ারম্যানের পদ থেকে প্রত্যাহার করে প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়। প্রজ্ঞাপনে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) নতুন চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ দেয়া হয় এয়ার ভাইস মার্শাল এহসানুল গনি চৌধুরীকে। পাশাপাশি ওই পদে থাকা এয়ার ভাইস মার্শাল এম সানাউল হককে নিজ বাহিনীতে ফিরিয়ে নেয়া হয়েছে।