সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শুভঙ্কর সাহা বলেন, তদন্ত চলমান। তদন্তের স্বার্থে এ ব্যাপারে কিছু বলতে পারছি না। তবে যথেষ্ট অগ্রগতি হয়েছে।
আইনজীবী নিয়োগের বিষয়ে তিনি বলেন, আইনগত বিষয়গুলো পর্যালোচনা করার জন্য আমাদের তালিকাভুক্ত একজন আইনজীবীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
সাংবাদিকদের প্রবেশে অলিখিত নিষেধাজ্ঞা আরোপ সম্পর্কে তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকে ঘটে যাওয়া ঘটনাটি আমদের তদন্ত ও নিরাপত্তার স্বার্থে গত দু’দিন আমরা সব মিডিয়াকে এন্টারটেইন করতে পারিনি। যে কোনো সময় সব বিভাগে যাওয়ার যে সুযোগ ছিল সেটা দিতে পারিনি। আমাদের চিন্তা আছে নিচতলায় একটি কমিউনিকেশন সেন্টার করবো। তার আগ পর্যন্ত প্রিন্ট ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকরা নিজ প্রতিষ্ঠানের আইডি কার্ড প্রদর্শন করে এবং নির্দিষ্ট রেজিস্টারে ডিটেইলস জানিয়ে যেতে পারবেন।
তবে ইলেকট্রনিক মিডিয়ার কর্মীরা ক্যামেরা নিয়ে আগাম অনুমোদন ব্যতিরেকে যেতে পারবেন না আর রেখে যেতে পারবেন বলে জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র বা ঊর্ধ্বতন কারও বক্তব্যের প্রয়োজন হলে আগে অনুমতি নিতে হবে। অনুমতি পেলে তখন ক্যামেরা নিয়ে যেতে পারবেন। নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করে ক্যামেরাসহ প্রবেশ নিষিদ্ধ রাখা হয়েছে।