বাংলাদেশের সংসদ সদস্য কাজী শহীদ ইসলাম পাপুল ও তার সহযোগীদের কুয়েতে সরকারি কর্মকর্তাদের ঘুষ প্রদানের অভিযোগে জামিন আবেদন নাকচ করে দিয়েছেন কুয়েতের একটি আদালত।
কুয়েতের পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের পর দেশটির ৭ শীর্ষ কর্মকর্তাসহ তিন সরকারি কর্মকর্তার সংশ্লিষ্টতা পায় বলে জানিয়েছে দেশটির গণমাধ্যম আরব টাইমস অনলাইন। ওই কর্মকর্তারা ঘুষ এবং উপহারের বিনিময়ে তাকে বিশেষ সুবিধা দিয়েছিল বলে জানানো হয়েছে।
কুয়েতে অর্থ ও মানবপাচারের অভিযোগে আটক কাজী শহীদ ইসলাম পাপুলের বিরুদ্ধে আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন ১১ প্রবাসী বাংলাদেশি। তাদের অভিযোগ, ভিসা ও আকামা নবায়নের নামে তাদের কাছ থেকে অর্থ নিয়েছিলেন কাজী পাপুল।
আরব টাইমস জানিয়েছে, তিনি সম্প্রতি বিভিন্ন দেশের কয়েকটি ব্যাংকে কয়েক লাখ কুয়েতি দিনার হস্তান্তর করেছেন। কাজী শহীদ ইসলাম পাপুলের বিরুদ্ধে অর্থ ও মানবপাচারের মামলায় নাম উঠে আসার পর কর্মকর্তাদের মোটা অঙ্কের ঘুষও দেন তিনি।
উল্লেখ্য অর্থপাচার ও মানবপাচারের অভিযোগে গত ৬ জুন কুয়েতে আটক হন বাংলাদেশের সংসদ সদস্য কাজী শহিদ ইসলাম পাপুল। এরপর থেকেই বিষয়টি নিয়ে বেশ জোরেশোরে তদন্তে নামে কুয়েত সরকার। এরইমধ্যে পাপুলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য টানা ৮ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে কুয়েতের পাবলিক প্রসিকিউশন বিভাগ।
