অরুণাচলের গা ঘেঁষে চীনের রেলপথ, সীমান্তবর্তী অঞ্চলে নতুন করে উত্তেজনা

ভারতের সঙ্গে প্রায় ৪ হাজার ৩৮৮ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে সীমানা রয়েছে চীনের। আর এই সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলোকে ব্যবহার করে ভারতের ভেতরে হামেশাই ঢুকে পড়ছে চীন। আগ্রাসী চীনকে প্রতিহত করতে সমরসজ্জাও শুরু করে দিয়েছে ভারত। তবে এরই মাঝে তিব্বতের মধ্যে দ্রুত গতিতে রেলপথ নির্মাণ করছে চীন। যা ২০২১ সালের মধ্যে শেষ করে ফেলার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে সে দেশের সরকার। আর এই রেলপথ তৈরি হয়ে গেলে তা ভারতের অরুণাচল প্রদেশের সীমান্ত এলাকাকে ছুঁয়ে যাবে, যা নিয়ে নতুন করে মাথা ব্যথা শুরু হয়েছে ভারতের।

চীন ভারতের অরুণাচল প্রদেশের সীমানা ঘেঁষা এই রেললাইনকে দ্বৈতভাবে ব্যবহার করতে চায় । কারণ সীমান্ত এলাকার অন্নুত সড়ক পথের বদলে রেলপথ ব্যবহার করে ভারতের ভেতরে সহজেই চীনের সামরিক এবং বেসামরিক কাজকর্ম হতে পারবে। আর এই অরুণাচল প্রদেশকে চীন এখনও দক্ষিণ তিব্বতের অংশ বলে দাবি করে আসছে।

সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৫০০ফিট উচ্চতায় অবস্থিত এই রেললাইনটি হবে তিব্বতের প্রথম ইলেকট্রিক রেলওয়ে। এখান থেকে ট্রেন চলবে প্রতি ঘণ্টায় ১৬০ কিমি গতিবেগে। ২০১৪ সালের শেষ থেকে ২০ হাজার শ্রমিক নিয়ে এই রেললাইন তৈরির কাজ চলছে। চীনের তিব্বত থেকে বিস্তৃত প্রায় ৪৩৫ কিমি এই রেলপথ সংযুক্ত করবে দক্ষিণ তিব্বতের লাসাং, লিংঝি এবং নায়িংগেছি।

চলতি মাসের মধ্যেই চীনের নিজস্ব একটি সংস্থা এই রেললাইন তৈরির কাজ অনেকটাই সেরে ফেলেছে। তৈরি হয়ে গেছে রেলব্রিজ। তিব্বতের ইয়ারলুং তাসানজোংপ এবং সিয়াং অঞ্চলের মধ্যে দিয়ে এই রেলব্রিজ নির্মাণ করা হচ্ছে। তিব্বতের যেখান থেকে ব্রহ্মপুত্র নদ শুরু হয়েছে। আর সেখান থেকে অরুণাচল প্রদেশের সীমান্ত মাত্র ৩০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। ফলে ভারতের এই রাজ্য নিয়ে ফের নতুন করে বিবাদ বাধাতে চাইছে চীন।

সূত্র: কলকাতা২৪

আরও খবর
আপনার কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published.