যুক্তরাষ্ট্র থেকে শিক্ষার্থীদের ফেরত পাঠানোর পরিকল্পনা বাতিল

করোনার কারণে যেসব বিদেশি শিক্ষার্থীর ক্লাস অনলাইনে নেয়া হবে, তাদের ভিসা বাতিলের বিতর্কিত সিদ্ধান্ত থেকে

সরে এসেছে যুক্তরাষ্ট্র।

মঙ্গলবার দেশটির এক কেন্দ্রীয় বিচারক এমন তথ্য দিয়েছেন। গত ৬ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ও শুল্ক

প্রয়োগকারী সংস্থা আইসিইর এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছে হার্ভার্ড ও এমআইটি।– এএফপি

এই দুই বিশ্ববিদ্যালয় দেশটির ১৮ রাজ্যে বিভিন্ন ইনস্টিটিউট ও শিক্ষক ইউনিয়নকে সহায়তা করে।

সংক্ষিপ্ত শুনানিতে বিচারক অ্যালিসন বারোস বলেন, শিক্ষার্থীদের ভিসা বাতিলের সিদ্ধান্ত বাতিলের পাশাপাশি

এ সংক্রান্ত যে কোনো সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সরকার সম্মতি দিয়েছে।

সশরীরে উপস্থিত থাকার দরকার আছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের এমন কোনো কোর্সে ভর্তি না থাকলে, ক্লাস অনলাইনে

হলে শিক্ষার্থীদের অবশ্যই আমেরিকা ছাড়তে হবে বলে যে নির্দেশনা আইসিই নিয়েছিল, তা বন্ধে আদালতের

শরণাপন্ন হয়েছে হার্ভার্ড ও এমআইটি।

ম্যাসাচুসেটসের ডিস্ট্রিক্ট আদালতের বিচারক অ্যালিসন বারাস জানান, সরকারের ওই নীতিমালা পরিবর্তনের বিষয়ে

সব পক্ষই সমঝোতায় পৌঁছেছে।

আইসিই পরিচালিত স্টুডেন্ট অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ ভিজিটর প্রোগ্রাম বিদেশি শিক্ষার্থীদের নিয়ে মার্চের নির্দেশনাই পুনর্বহাল

করতে যাচ্ছে বলে নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে।

আগের নীতিমালায় মহামারীর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে থাকা বিদেশি শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনে তাদের সব কোর্স অনলাইনে

করার সুযোগ দেয়া হয়েছিল।

অনলাইনে ক্লাস করলেও তারা ‘শিক্ষার্থী ভিসায়’ বৈধভাবেই যুক্তরাষ্ট্রে থাকতে পারবে, বলা হয়েছিল মার্চের নির্দেশনায়।

প্রতি বছর বিপুলসংখ্যক বিদেশি শিক্ষার্থী যুক্তরাষ্ট্রে পড়তে যায়। তাদের বেশিরভাগকেই সম্পূর্ণ টিউশন ফি দিতে হয়।

এই অর্থ মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আয়ের অন্যতম উৎস।

সম্প্রতি হার্ভার্ড কর্তৃপক্ষ এক ঘোষণায় করোনাভাইরাসজনিত পরিস্থিতিতে নতুন শিক্ষাবর্ষে সব কোর্সের

নির্দেশনা অনলাইনে দেয়া হবে বলে জানায়।

এ নির্দেশনা কেবল যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে যেতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের জন্যই নয়, যারা এখনও যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন,

তাদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে বলে জানিয়েছিল তারা।

হার্ভার্ডের পর এমআইটিসহ আরও অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানই সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে অনলাইনে ক্লাস নেয়ার

কথা জানিয়েছিল।

আরও খবর
আপনার কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published.