মালয়েশিয়ায় করোনাভাইরাসের ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ ভয়াবহ রকম বৃদ্ধি পাওয়ায় আবারও ২ সপ্তাহের জন্য লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। এর আগে মালয়েশিয়ায় কন্ডিশনাল মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার (সিএমসিও) ঘোষণা করা হয়েছিল। যা ১৭ মে শেষ হওয়ার কথা ছিল।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ অনুযায়ী সংক্রমণ রোধে দেশটির সেলাঙ্গর রাজ্যের ৬টি জেলা- হুলু লাঙ্গাত, পেতালিং, গোম্বাক, ক্লাং, কুয়ালা লাঙ্গাত ও সেপাং জেলাকে ১২ দিনের জন্য লকডাউন ঘোষণা করেছে যা ৬ মে থেকে ১৭ মে পর্যন্ত সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এছাড়া আগামী ৭ মে থেকে ২০ মে পর্যন্ত রাজধানী কুয়ালালামপুর, তেরেংগানু রাজ্যের ১৪টি উপজেলা যেমন; কাম্পুং রাজা, লুবুক কাওয়াহ, পেলাগাত, তেনাং, কেলুয়াং, বুকিত কেনাক, কুবাং বেম্বান, জাবি, কেরান্দাং, পেংকালান নাংকা, পাসির আকার, তেম্বিলা, বুকিত পুতেরি, কুয়ালা বেসাত ও জোহর রাজ্যের ৩টি জেলা যেমন; জোহর বারু, কুলাই, কোতা টিঙ্গি, এছাড়া পেরাক রাজ্যের তাইপিং, লারুত, মাতাং ও সেলামা’কে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে।
এছাড়া কুয়ালালামপুর এবং পুত্রজায়ার ফেডারেল টেরিটরিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের (এমওই) অধীনে সমস্ত স্কুল ৬ এবং ৭ মে বন্ধ থাকবে। একই সঙ্গে সেলাঙ্গর প্রদেশের সমস্ত স্কুল বন্ধ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
বুধবার (৫ মে) দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী দাতুক সেরি ইসমাইল সাবরি বিন ইয়াকুব এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।
দেশের বর্তমান করোনাভাইরাস পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে জাতীয় সুরক্ষা কাউন্সিল ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরামর্শক্রমে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। পাশাপাশি দেশটির আন্তঃজেলা ও আন্তঃরাজ্য ভ্রমণের ওপর চলমান নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে।
জনসমাগমের ওপর চলমান নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই শর্তসাপেক্ষে শহরের রেস্টুরেন্ট খোলা রাখার অনুমতি দিলেও সেক্ষেত্রে রেস্টুরেন্টে বসে খাওয়া যাবে না, কিংবা সেখানে আড্ডা জমানো যাবে না।
করোনায় দেশটিতে গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৭৪৪ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ১৭ জনের। সব মিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা ৪ লাখ ২৪ হাজার ৩৭৬ জন। এ পর্যন্ত করোনায় মারা গেছেন ১ হাজার ৫৯১ জন। অন্যদিকে সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরেছেন ৩ লাখ ৮৯ হাজার ৮৪৬ জন।
