গত বছরের কাশ্মীরে পরিস্থিতি এখনও ঠিক হয়নি। এর মধ্যেই নতুন আরও একটি যুদ্ধের আভাস। লাদাখের সংঘর্ষের পর এবার কাশ্মীরে রণসাজ শুরু করেছে ভারত।
ইন্ডিয়া টাইমস জানিয়েছে, জম্মু-কাশ্মীর প্রশাসনের পক্ষ থেকে সামরিক ঘাঁটি গড়তে ১৬টি স্কুল খালি করার নির্দেশনাও দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে স্থানীয় এলপিজি গ্যাস পরিবেশকদের আগামী দু’মাসের জন্য রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার মজুদ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
প্রশাসন বলছে, এলাকার সড়ক যোগাযোগ ভূমিধসের কারণে ব্যাহত হতে পারে। এজন্যই গ্যাস মজুদ করতে বলা হচ্ছে। তবে স্থানীয়রা বলছেন, সরকার যে কারণই দেখাক না কেন, তাদের পূর্ব অভিজ্ঞতা বলছে, কাশ্মীরে বড় কিছুই ঘটতে চলেছে।
কাশ্মীরের সঙ্গে কারগিলের সংযোগ জেলা গান্ডারওয়াল পুলিশ সুপারের দফতর থেকে জারি করা নির্দেশিকায় ওই এলাকার ১৬টি স্কুল খালি করে দিতে বলা হয়েছে। সেগুলো এখন থেকে নিরাপত্তা রক্ষীদের জন্য ব্যবহার করা হবে।
কাশ্মীরের ডিরেক্টর অব দ্য ফুড, সিভিল সাপ্লাই অ্যান্ড কনজিউমার বিভাগের নির্দেশনায় গ্যাসের সিলিন্ডার মজুদ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
যদিও জম্মু-কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নরের উপদেষ্টা ফারুক খান বলেন, আগামী শীতকে সামনে রেখে গ্যাস মজুদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
প্রশাসন গত বছর কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বাতিলের আগেও এমনই নির্দেশনা জারি করেছিল। এছাড়া পাকিস্তানের বালাকোটে জঈশ-ই-মোহাম্মদের ঘাঁটিতে ২৬ ফেব্রুয়ারি হামলার আগেও এমন নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল।