বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের প্রধান ট্রানজিট রুটগুলোতে হঠাৎ করে বড় ধরনের ফ্লাইট বিপর্যয় দেখা দিয়েছে।
ফ্লাইদুবাই, এমিরেটস, এয়ার ইন্ডিয়া এবং ইউএস-বাংলার মতো বড় এয়ারলাইন্সগুলোর ৩০টি ফ্লাইট বাতিল ও ১০০টিরও বেশি বিলম্বিত হয়েছে।
দুবাই, শারজাহ, জেদ্দা, কুয়েত ও আম্মানের মতো ব্যস্ততম বিমানবন্দরগুলো এই সংকটে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত।
দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইদুবাই এবং এমিরেটসের ব্যাপক শিডিউল বিপর্যয়ে আন্তর্জাতিক যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
শারজাহ ও কুয়েত বিমানবন্দরেও একই অবস্থা, সেখানে এয়ার অ্যারাবিয়া ও কুয়েত এয়ারওয়েজ একাধিক ফ্লাইট বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে।
জেদ্দায় সৌদিয়া এয়ারলাইন্স এবং ইউএস-বাংলার ফ্লাইটেও বড় ধরনের বিলম্ব ও বাতিলের খবর পাওয়া গেছে।
মূলত অতিরিক্ত যাত্রীর চাপ, গ্রাউন্ড সাপোর্ট সিস্টেমের সীমাবদ্ধতা এবং শিডিউল জটিলতার কারণে এই সংকট তৈরি হয়েছে।
এই পরিস্থিতির ফলে বিমানবন্দরগুলোতে উপচে পড়া ভিড় এবং সংযোগকারী ফ্লাইট মিস করার মতো ঘটনা ঘটছে।
এই অবস্থায় যাত্রীদের সরাসরি কাউন্টারে ভিড় না করে এয়ারলাইন্সের অ্যাপের মাধ্যমে রিয়েল-টাইম আপডেট দেখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
এছাড়া দীর্ঘ বিলম্বের ক্ষেত্রে নিজ নিজ এয়ারলাইন্সের ক্ষতিপূরণ ও আবাসন নীতিমালা সম্পর্কে খোঁজ রাখা জরুরি।
আরও খবর
