পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন বলেছেন, ‘আমাদের জানা মতে, কুয়েতে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার প্রবাসী বাংলাদেশিকে ক্যাম্পে আটকে রাখা হয়েছে। আমরা জেনেছি, তাদের ঠিকমতো খাবার দেয়া হচ্ছে না। মিশন তাদের খাবারের ব্যবস্থা করছে। কুয়েত সরকার যখনই চাইবে, তখনই আমরা তাদের নিয়ে আসব। কুয়েত সরকার নিজেরাই ফ্লাইটের ব্যবস্থা করে তাদের ফেরত পাঠাবে। যখনই তারা ফ্লাইট শিডিউল দেবে তখনই তাদের গ্রহণ করব। আমাদের এয়ারলাইন্স চালু হলেই বাকি প্রবাসীরা যখনই চান আসতে পারেন।’
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্য থেকে ৩ হাজার ৭৯৫ জন বাংলাদেশি ফেরত এসেছেন। এদের মধ্যে অধিকাংশই সেখানকার জেলে ছিলেন এবং তাদের সাধারণ ক্ষমা করা হয়েছে। এছাড়াও ওমরাহ পালনকারী কিছু এসেছেন। কিছু অনিবন্ধিত শাস্তিপ্রাপ্ত প্রবাসীও ফিরেছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্য থেকে অনেকে দেশে ফিরছেন। আমাদের দেশে সঙ্গরোধের (কোয়ারেন্টাইন) কতটুকু ব্যবস্থা আছে, তা যাচাই-বাছাই করে তাদের আমরা ফেরত আনছি।’
করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বব্যাপী সৃষ্ট পরিস্থিতিতে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে বিভিন্ন দেশ থেকে ২৮ হাজার ৮৪৯ জন প্রবাসী কর্মী দেশে ফিরবেন বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেছেন, ‘করোনাভাইরাসের কারণে বিদেশে আটকেপড়া প্রবাসী কর্মীদের দেশে ফিরিয়ে আনব, এতে কোনো সন্দেহ নেই। তাদের আনার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।’
বুধবার (৬ মে) অনুষ্ঠিত পঞ্চম আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
বৈঠকে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী ইমরান আহমেদ, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলমসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।