বাহরাইনে বড় ধরনের বিপদে বাংলাদেশিরা, বিশেষ ফ্লাইটের প্রয়োজন

এভিয়েশন নিউজ রিপোর্ট:

চাকরি নেই, ভিসার মেয়াদ শেষ, খাবারের টাকাও নেই ওমানে কাজ হারানো কিংবা শারীরিক অসুস্থতার জন্য কাজ করতে না পারা অনেক প্রবাসী বাংলাদেশির।

একে তো কাজ নেই তার উপর আবার খাওয়া-দাওয়ার খরচ, বাসা ভাড়ার চাপ কোনোভাবেই সামলাতে পারছেন না বাহরাইনে থাকা বাংলাদেশিরা।

তাদের এই পরিস্থিতি থেকে পরিত্রাণ পেতে তারা দ্রুত দেশে ফিরতে চান।

করোনা ভাইরাসের কারনে বিশ্বব্যাপী নিয়মিত বিমান চলাচল বন্ধ থাকায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রবাসী বাংলাদেশি বা আটকে পড়া বাংলাদেশিদের বিশেষ ফ্লাইটে ফেরানো হচ্ছে।

তাই বাহরাইনে বিপদগ্রস্ত রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের একটাই দাবি, তাদের যেন বিশেষ ফ্লাইটের মাধ্যমে দেশে ফিরিয়ে এনে তাদের জীবন বাঁচানো হয়।

চাকরি হারানো এবং অসুস্থ বাহরাইন প্রবাসী পল্টন এই প্রতিবেদকের কাছে মুঠোফোনে জানান, তিনি কাজ হারিয়েছেন এবং এখন শারীরিক ভাবে অসুস্থ। চিকিৎসা করানো তো দুরের কথা ঠিকমতো খাবার ব্যবস্থাই করতে পারছেন না তারা। অনেক সময় শুধু পানি খেয়ে দিন পার করতে হচ্ছে তাদের। কথাগুলো বলার সময় মুঠোফোনে কান্নায় ভেঙ্গে পরেন তিনি। তিনি বাংলাদেশ সরকার এবং বাহরাইনে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের নিকটে প্রাণে বাঁচার আকুতি জানান।

পল্টনের মতো অনেক বাহরাইন প্রবাসী কাজ হারানোর কারনে না খেয়ে দিন পার করছে। দ্রুত তাদের বিশেষ ফ্লাইটের মাধ্যমে দেশে ফেরানোর দাবি তাদের।

আটকে পড়া প্রবাসী বাংলাদেশী নাগরিকদের দেশে ফেরত আনার সুবিধার্থে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের তত্ত্বাবধানে বিমান বাংলাদেশ এয়ার লাইন্সের উড়োজাহাজ দিয়ে কয়েকটি বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনা করা হয়েছে। বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সও বাংলাদেশী নাগরিকদের দেশে ফেরত আনতে কয়েকটি বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।

একটি সূত্র জানিয়েছে যে, কোনও বিমানসংস্থা চাইলেই বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনা করতে পারেনা। এই বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনার ক্ষেত্রে এয়ারলাইন্সগুলো বাহক মাত্র। একটি বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনা করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট দূতাবাসের মুখ্য ভূমিকা পালন করতে হয়।

এমতাবস্থায় দ্রুত বিশেষ ফ্লাইটের ব্যবস্থা করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং দূতাবাসকে আকুতি জানিয়েছে বাহরাইনে আটকে পড়া ও ভাকরি হারানো প্রবাসীরা।

Comments (0)
Add Comment