করোনাভাইরাস মহামারি মধ্যে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক রুটে বিমানের চার্টার্ড ও কার্গো ফ্লাইটের চাহিদা বেড়েছে। গত মাসে বিমানের চার্টার্ড এই ফ্লাইটের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ আয় হয়েছ। চলতি মাসেও এই অবস্থা বিদ্যমান থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে।
জাতীয় পতাকাবাহী রাষ্ট্রীয় সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তারা শুক্রবার এতথ্য জনিয়েছেন।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মহিবুল হক গণমাধ্যমকে বলেন, মহামারি করোনার মধ্যে দিনদিন বাড়ছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক রুটে বিমানের চার্টার্ড ও কার্গো ফ্লাইট। গত মাসে এই ফ্লাইট পরিচালনা করে প্রায় ৪০ কোটি টাকা আয় করছে বিমান। চলতি মাসে (জুন) এ খাত থেকে প্রায় ১০০ কোটি আয় হবে।
এ ব্যপারে শুক্রবার বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. মোকাব্বির হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, নতুন নতুন আন্তর্জাতিক রুটে বিমানের চার্টার্ড ও কার্গো ফ্লাইটের চাহিদা বাড়ছে। এরইমধ্যে আন্তর্জাতিক রুটে কয়েকটি দেশের সঙ্গে বিমানের কয়েকটি চার্টার্ড ও কার্গো ফ্লাইটের চুক্তির বিষয়ে কথাবার্তা চলছে।
যাত্রী সংকটের কারণে বাতিল হচ্ছে বিমানের অভ্যন্তরীণ রুটের ফ্লাইট। ১ জুন চালুর পড় থেকে যাত্রী সংকট দেখা দেয় বিমানে। যাত্রী সংকটে শুক্রবার ও শনিবার বিমানের অভ্যন্তরীণ সব রুটে সব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে দীর্ঘ প্রায় আড়াইমাস বন্ধ থাকার পর ১ জুন থেকে চালু হয়েছে অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট। ফ্লাইট পরিচালনা করছে জাতীয় পতাকাবাহী বিমান, বেসরকারি নভো এয়ার ও ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্স।
বিমানের অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট পরিচালনায় টিকিটের মূল্য নির্ধারণ করা আছে বিমানে। এই নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে কমে টিকিট বিক্রি করা সম্ভব না বিমানে। এ ছাড়া বিমানের চেয়ে বেসরকারি এয়ারলাইন্সগুলোর টিকিটের মূল্য কম। এ কারণে অভ্যন্তরীণ রুটে যাত্রী কমেছে বিমানে।