চীনা বাহিনী শত শত ট্রাক, বুলডোজার ও অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম নিয়ে যুদ্ধ সাজে ভারত সীমান্তের দিকে এগিয়ে আসছে।
গালওয়ান উপত্যকার ৯ জুন উপগ্রহের ছবি থেকে ১৬ জুনের ছবি অনেকটাই আলাদা। উপগ্রহ চিত্রে দেখা যায়, সীমান্তের কাছে চীনের বড় সড় সামরিক প্রস্তুতি চলছে। খবর রয়টার্স ও এনডিটিভির।
চীনা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায় ১২৭টি গাড়ির দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। এলএসি থেকে এলাকাটি মাত্র ৬ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
চীন ভারত সীমান্ত থেকে ২০০ কিলোমিটারের মধ্যে পুরোদস্তুর বিমান ঘাঁটিও গড়ে তুলেছে। চীন লাদাখের প্যাঙগঙ লেকের ২০০ কিলোমিটার দূরে তিব্বতের ‘গাড়ি কুনসা’য় ১০ বছর আগে বিমানবন্দর নির্মাণ করে। বিমানবন্দরটি অসামরিক বিমান পরিবহনের জন্য তৈরি করা হচ্ছে বলে তখন জানিয়েছিল বেইজিং। কিন্তু উপগ্রহ চিত্রে ধরা পড়েছে, এক মাসে এ বিমানবন্দরের সম্প্রসারণের অনেক বেড়ে গেছে। সেখানে রীতিমতো বিমান ঘাঁটি বানিয়ে ফেলা হয়েছে।
ভারতের সঙ্গে চীনের প্রায় ৪ হাজার ৩৮৮ কিমি. এলাকাজুড়ে সীমানা রয়েছে । এর আগে বহুবার সীমান্ত নিয়ে বিবাদে জড়িয়েছে ভারত ও চীন।
ভারতও লাদাখ সীমান্তে সামরিক শক্তি বাড়াচ্ছে, যুদ্ধবিমান ও অ্যাটাক হেলিকপ্টার পাঠিয়েছে ভারত। যুদ্ধনীতির ক্ষেত্রেও বড় পরিবর্তন এনেছে ভারত।
ভারতীয় সামরিক বাহিনী চীন সীমান্তে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের বিধিনিষেধ তুলে নিয়ে কমান্ডারদের পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতা দিয়েছে। এ মাধ্যমে চীন সীমান্তের নিয়ন্ত্রণরেখায় আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারে আর কোনো বিধিনিষেধ রইল না।
একজন ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তা জানান, নিয়ম পরিবর্তন হওয়ার ফলে নিয়ন্ত্রণরেখায় আর ভারতীয় কমান্ডারদের হাত বাঁধা থাকবে না। তারা যেটা ঠিক মনে করবেন, সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পারবেন।