রিসোর্ট ওয়াল্ড সেন্টাগো সিঙ্গাপুরের সবচেয়ে বড় বেসরকারি পর্যটন কেন্দ্রগুলোর একটি। এটিই দেশটির সবচেয়ে বেসরকারি কর্মস্থল।
করোনার কারণে সৃষ্ট ক্ষতি মোকাবিলায় খরচ কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
এরই ধারাবাহিকতায় কর্মীদের সুবিধা কমানো এবং ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
দেশটির পর্যটন ব্যবসায়কে টিকিয়ে রাখার জন্য সব প্রতিষ্ঠানই এ পথে হাটছে বলে খবর প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে কি কর্মীদের কি পরিমাণ সুযোগ সুবিধা কমানো হবে বা কতজন ছাঁটাই করা হবে সে বিষয়ে কিছু বলা হয়নি।
তবে, স্থানীয় গণমাধ্যমের দাবি এই সংখ্যা ‘নির্দিষ্ট’ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। পর্যটন কেন্দ্রটিতে করোনার আগে সাড়ে ১২ হাজার কর্মী কাজ করতেন।
এর আয়তন অন্তত ৪৯ হেক্টর। হোটেল, ক্যাসিনো এবং নয়নাভিরাম চিত্রশালার জন্য এটি জনপ্রিয়।
“আমরা বাধ্য হয়ে এমন কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। করোনাভাইরাসের কারণে কার্যত বন্ধ থাকায় কর্মীদের ছাঁটাই বা সুবিধা কমিয়ে দেয়া ছাড়া আমার আর কোনো বিকল্প নেই।” এক বিবৃতিতে এমন দাবি করে প্রতিষ্ঠানটি।
মালয়েশিয়ায় অর্থবছরের শেষ প্রান্তিকে তার আগের প্রান্তিকের তুলনায় ৪১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি কম হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার দেশটির পক্ষ থেকে এটিকে সবচেয়ে বড় মন্দা হিসেবে উল্লেখ করা হয়। দেশটির মোট জিডিপিতে পর্যটন খাত থেকে আসে ৪ শতাংশ।
করোনার কারণে হওয়া লকডাউন এবং ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশটির পর্যটন খাত।
সিঙ্গাপুর ন্যাশনাল ট্রেড ইউনিয়ন ছাঁটাই হওয়া কর্মীদের প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা বৃদ্ধির উপর জোর দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।
করোনাভাইরাসের আক্রমণের আগে দেশটির পর্যটনখাতের উন্নয়নে সাড়ে চার বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয় মালয়েশিয়া।