ইতালিতে সামাজিক দূরত্বের বালাই নেই বাংলাদেশিদের মাঝে

রিলিফের চাল কিংবা যাকাতের কাপড় নিতে জনতার উপচে পড়া ভিড় মনে হলেও বাস্তবতা এখানটায় ভিন্ন। করোনা মহামারী কালে ইতালির ভেনিস নগরীতে পাসপোর্ট / সার্টিফিকেট তথা কনস্যুলার সার্ভিস নিতে আসা হাজারো প্রবাসী ১৮ জুলাই শনিবার এভাবেই মাথা খেয়েছেন সামাজিক দূরত্বের।

জরুরি অবস্থা জারি থাকা ইতালি নামক রাষ্ট্রের আইনের প্রতি বুড়ো আঙুল দেখান ভেনিস ও তার আশপাশের

বিভিন্ন শহর থেকে ছুটে আসা বাংলাদেশের নাগরিকরা। নেপথ্যে স্থানীয় আয়োজকদের ‘এক্সট্রা কালেকশন’ বাণিজ্য।
সমগ্র ইতালিতে যখন বাংলাদেশিদের ‘ভাইরাস বোমা’ হিসেবে ‘ট্রিট’ করছে ইতালির সাধারণ জনগণ ঠিক তখনই

দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় ভেনেতো বিভাগের প্রধান প্রভিন্সে দুই দিনের জন্য কনস্যুলার সেবা দিতে আসে সুদূর

মিলান থেকে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের লোকজন। তাদের আনাড়িপনার সাথে যোগ হয় কনস্যুলার

সার্ভিসের স্থানীয় আয়োজকদের বাড়তি অর্থ আদায় বাণিজ্য। আগে-পরে প্রবেশ নিয়ে স্বজনপ্রীতি এবং টোকেন নিয়ে

দুই নাম্বারি চলতে থাকলে প্রতিবাদী হয়ে ওঠে ভুক্তভোগী প্রবাসীরা।
ভেনিসে কনস্যুলার সেবা নিতে আসা প্রবাসীদের সাথে স্থানীয় আয়োজক (নেতা) ও তাদের সাঙ্গপাঙ্গদের শনিবার দিনভর কয়েক দফায় হাতাহাতি হয়। সেবা নিতে আসা জনৈক বাংলাদেশিকে রক্তাক্ত করার অভিযোগে ইতোমধ্যে মামলা দায়ের হয়েছে কয়েকজনকে আসামী করে। হামলাকারীরা ইতালির বহুল সমালোচিত দালাল সিন্ডিকেটের ভেনিস ইউনিটের সক্রিয় সদস্য। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার সম্ভাবনা না থাকায় স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের নির্দেশে ইতোমধ্যে বাতিল করা হয়েছে ১৯ জুলাই রবিবারের কনস্যুলার সার্ভিস।

মাঈনুল ইসলাম নাসিম, ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক

Comments (0)
Add Comment