বিমানের টিকিটের জন্য হাহাকার করছেন চট্টগ্রামের প্রবাসীরা। মধ্যপ্রাচ্যের চাকরিতে ফিরে যেতে তারা টিকিট কাটার জন্য ভিড় করেন নগরীর ষোলশহরের বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কার্যালয়ে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকে টিকিটপ্রত্যাশীদের কার্যালয়ের মূল ফটকের বাইরে লাইনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। প্রবাসীরা রোদে পুড়ে ফুটপাতে, সড়কে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করেন টিকিটের জন্য। চাহিদার তুলনায় টিকিট কম হওয়ায় এ সংকট তৈরি হয়েছে। ফ্লাইটের সংখ্যা না বাড়ালে এ সংকট সমাধান সম্ভব নয়।
ষোলশহরের বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপক নজরুল ইসলাম চৌধুরীকে ফোন করলেও তিনি সাড়া দেননি। বিমানের একজন কর্মকর্তা জানান, প্রবাসী যাত্রীদের প্রত্যাশিত দিনে যদি আসন খালি থাকে, অবশ্যই টিকিট কনফার্ম করা হচ্ছে। অনেকে বাধ্য হয়ে হায়ার ক্লাসে টিকিট কাটছেন বেশি
ভাড়ায়। এখানে কাউকে অহেতুক হয়রানি বা কারও যাত্রা ঝুলিয়ে রাখার সুযোগ নেই।
লাইনে দাঁড়ানো আবুধাবিগামী যাত্রী নিজাম বলেন, করোনার আগে ছুটি কাটাতে দেশে এসেছিলাম। কিন্তু কভিড পরীক্ষা নিয়ে কড়াকড়ি ও বিমানের টিকিট না পাওয়ার কারণে কর্মস্থলে যেতে পারছি না।
আরেক টিকিটপ্রত্যাশী রইসুল ইসলাম বলেন, বিমান অফিসে এখন আবুধাবির টিকিটের চাহিদা বেশি; কিন্তু ফ্লাইট কম। সরকার যদি বিশেষ ফ্লাইট চালু করত, তাহলে রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের জন্য উপকার হতো।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স জানায়, আগামী ৩০ আগস্ট পর্যন্ত আবুধাবিগামী সপ্তাহে চারটি ফ্লাইট আছে বিমান বাংলাদেশের। আরও দুটি অতিরিক্ত ফ্লাইটের জন্য আবেদন করেছে সংস্থাটি।