এ সম্পর্কে জানতে চাইলে ব্যবস্থাপনা পরিচালকও সদুত্তর দিতে পারেননি। আর পর্ষদ চেয়ারম্যানের কাছে জানতে চাইলে তিনি শুধু বলেছেন, আমি বিমানের সব কিছু বোঝার চেষ্টা করছি। খোঁজ নিয়ে আপনাকে জানাব। তবে শুনেছি দুটো এয়ারকুলারের মধ্যে একটা ঠিকমতো কাজ করছে না।
জানা যায়, বিগত দু’বছর ধরে বলাকার দুটো এয়ারকুলারের মধ্যে একটা পুরো ও অপরটি আংশিক নষ্ট থাকায় ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন এখানকার স্টাফরা। বছরের শীত মৌসুমের কয়েক মাস মোটামুটি পরিস্থিতি সহনীয় থাকলেও গ্রীষ্মকালে পরিস্থিতি দুঃসহ হয়ে ওঠে। দরজা জানালা খুলে দিয়েও চেয়ারে বসার উপায় থাকে না। গত সোম ও মঙ্গলবার বলাকা ভবন পরিদর্শনের সময় দেখা যায়, সেন্ট্রাল এসি নষ্ট থাকলেও কর্মকর্তাদের রুমে ইনরুম এসি ও ফ্যান দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়া হচ্ছে। ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চেয়ারম্যানের কক্ষেও রয়েছে আলাদা এসির ব্যবস্থা। ফলে তারা সেন্ট্রাল এসি নষ্ট থাকে কি থাকে না- সেটা আঁচ করতেও পারেন না। এতে যে কাজের মনোযোগ ব্যাহত হচ্ছে, সেটাও অনুধাবন করতে পারেন না। বিমান সূত্র জানায়, বছর দুয়েক আগে এ দুটো এয়ারকুলার সচল রাখার লক্ষ্যে কিকো লিমিটেড নামে একটি প্রতিষ্ঠান প্রতিমাসে ৭০ হাজার টাকা সার্ভিস চার্জ দিয়ে কাজ দেয়া হয়। দীর্ঘ দেড় যুগেরও পুরনো এ দুটো এসি সচল রাখার জন্যই মাসে ৭০ হাজার টাকা সার্ভিস পরিশোধ করা হচ্ছে। পর্ষদ চেয়ারম্যান এয়ারমার্শাল ইনামুল বারী বলেন, শুনেছি একটা এসি নষ্ট। কিন্তু সার্ভিস চার্জ কি দেয়া হচ্ছে সেটা খতিয়ে দেখার পর বলতে হবে।