বিমান কোম্পানিগুলো সচরাচর গ্রীষ্মকালীন মৌসুমে অত্যন্ত ব্যস্ত সময় পার করে। যদিও করোনায় চিত্রটা পাল্টে গেছে। সরকারের বিধিনিষেধের কারণে এখন বিমানে ভয়াবহ রকমের যাত্রী খরা। অথচ আরেকটি গ্রীষ্মকালীন মৌসুম শুরু হতে সপ্তাহখানেক বাকি। এমন পরিস্থিতিতে বিধিনিষেধ খানিকটা শিথিলের জন্য সরকারের ওপর চাপ তৈরির লক্ষ্য নিয়ে বুধবার জমায়েত হবেন বিমান ও হলিডে কোম্পানিগুলোর কর্মীরা।
মহামারীতে ট্রাভেল কোম্পানিগুলোর আয়-রোজগার ভীষণভাবে কমে গেছে। ২০২০ সালের পর ২০২১ সালেও আরেকটি গ্রীষ্মকালীন মৌসুম হারাতে চায় না তারা। কিন্তু বিমানের ওপর যুক্তরাজ্য সরকারের যে বিধিনিষেধ বলবৎ রয়েছে, তাতে নিশ্চিতভাবেই আসন্ন গ্রীষ্মকালীন মৌসুমও হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে বিমান ও হলিডে কোম্পানিগুলোর।
জুলাই আসন্ন। বিধিনিষেধ তুলে নিতে সরকারের দিক থেকেও কোনো উদ্যোগ লক্ষ করা যাচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে গত বৃহস্পতিবার আইনি
পদক্ষেপ নিয়েছে ইউরোপের সর্ববৃহৎ এয়ারলাইন রাইয়ানএয়ার ও ম্যানচেস্টার এয়ারপোর্টস গ্রুপ। তাদের দাবি ছিল, সরকার যেন আরেকটি লাভজনক মৌসুম শুরুর আগেই বিধিনিষেধ শিথিল করে।
বসে নেই অন্যরাও। সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণের লক্ষ্যে ২৩ জুন বুধবার মধ্য লন্ডনের ওয়েস্টমিনস্টারে ও যুক্তরাজ্যজুড়ে বিমানবন্দরগুলোতে জড়ো হবেন পাইলট, কেভিন ক্রু ও ট্রাভেল এজেন্টরা।