বিদেশি কর্মী নিপীড়ন, মালয়েশিয়ার অর্থনীতির জন্য হুমকি

মালয়েশিয়ার অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি বিদেশি কর্মী।
দেশটির মোট শ্রমশক্তির ১০ শতাংশই হচ্ছে এসব বিদেশি।
২০২০ সালের শেষের দিকে মালয়েশিয়ায় বৈধ বিদেশি কর্মী ছিল প্রায় ২০ লাখ, অনিবন্ধিতদের সংখ্যা এর দ্বিগুণ বলে ধারণা করা হয়।
মালয়েশীয় পরিসংখ্যান বিভাগের তথ্যমতে, গত দুই দশকে দেশটিতে বিদেশি কর্মী বেড়েছে দ্বিগুণেরও বেশি।
তবে, একই সময়ে বেড়েছে জোরপূর্বক শ্রমের মতো গুরুতর অভিযোগও।
এসব অভিযোগ মালয়েশিয়ার রপ্তানিনির্ভর অর্থনীতির জন্য বড় হুমকি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

গত কয়েক দশকে বিদেশি কর্মীদের ওপর নির্ভর করে কৃষি ও উৎপাদন খাত অনেকটা এগিয়ে নিয়েছে মালয়েশিয়া।
ধীরে ধীরে সেমিকন্ডাক্টর, আইফোন যন্ত্রাংশ, মেডিক্যাল গ্লাভস, পাম তেলের মতো বৈচিত্র্যময় পণ্যসম্ভারে বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে তারা। একই সময়ে বিদেশি কর্মীদের ওপর মালয়েশিয়ার নির্ভরতাও বেড়েছে।
দেশটিতে ইন্দোনেশিয়া, বাংলাদেশ ও নেপালের বিপুল সংখ্যক কর্মী কাজ করছেন।

তবে মালয়েশিয়ায় বিদেশি কর্মী-নির্ভরতা বাড়ার পাশাপাশি তাদের কাজ ও বসবাসের জায়গা সংক্রান্ত অভিযোগের পাহাড় তৈরি হয়েছে।
সম্প্রতি মালয়েশিয়ার অর্থনীতি সম্পর্কে ১১ বিশ্লেষক, রেটিং সংস্থা, গবেষক, করপোরেট পরার্মশক ও সমাজকর্মীর সঙ্গে কথা বলেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
তারা বলেছেন, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশটিকে এগিয়ে যেতে হলে অবশ্যই শ্রম আইন সংশোধন ও তার যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া, প্রতিষ্ঠানগুলোকেও কর্মীদের অবস্থার উন্নয়নে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।

Comments (0)
Add Comment