প্রায় সাড়ে তিন বছর বন্ধ থাকার পর মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর সুযোগ মিললেও, আবারও সিন্ডিকেটের কারসাজিতে শ্রমবাজারটি মুখ থুবড়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
রিক্রুটিং এজেন্সির সংখ্যা নিয়ে গোল বেঁধেছে। এ অবস্থায় কর্মী পাঠানোর পদ্ধতিতে স্বচ্ছতা আনার তাগিদ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
তবে, এবার কর্মীদের স্বার্থ অগ্রাধিকার দেওয়ার আশ্বাস দিলেন প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী।
সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অভিবাসন ব্যয় বাড়ানোসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেওয়া বন্ধ করে দেয় মালয়েশিয়া সরকার।
এরপর আসে করোনা মহামারির ধাক্কা।
তিন বছরেরও বেশি সময় বন্ধ থাকার পর, এই দুঃসময়ে কর্মী পাঠাতে গত ১৯ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে সই হলো সমঝোতা স্মারক।