সৌদি ও আমিরাতের যে সিদ্ধান্তে নাখোশ যুক্তরাষ্ট্র

সৌদি আরবের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক নতুন করে নিম্নমুখী হয়েছে। ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণের প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়া থেকে তেল আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞাসহ নানা ধরনের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। এতে তেলের দর আকাশছোঁয়া হয়েছে। এর লাগাম টানতে যুক্তরাষ্ট্র আশা করেছিল সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত তেলের উৎপাদন বাড়াবে। কিন্তু সৌদি আরব ও আমিরাতের নেতারা মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের আহ্বান প্রত্যাখ্যান করছেন বলে জানা যাচ্ছে।

তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর সংস্থা ওপেক প্লাসের তেল উৎপাদন কমানোর সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

ওয়াশিংটন মনে করছে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রধান ভূমিকা পালন করেছে। খবর আলজাজিরার।

এ কারণে এই দুই দেশের প্রতি সামরিক সমর্থন প্রত্যাহার করে নিতে ডেমোক্র্যাট দলের একদল সিনেটর এক বিল উত্থাপন করেছেন।

প্রতিনিধি পরিষদে বিলটি উত্থাপন করেছেন ডেমোক্র্যাট আইন প্রণেতা টম ম্যালিনোভস্কি, সিন ক্যাস্টেন ও সুসান ওয়াইল্ড।

বিলে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতি সামরিক সহযোগিতা বন্ধ করে দিয়ে দেশ দুটি থেকে সব মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের আহ্বান জানানো হয়েছে।

প্রতিনিধি পরিষদের ওই তিন সদস্য বলেছেন, যেসব দেশ কার্যকরভাবে আমাদের বিরুদ্ধে তৎপরতা চালাচ্ছে তাদেরকে সামরিক পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে যাওয়ার কোনো মানে হয় না।

তারা অভিযোগ করেন, রাশিয়াকে সমর্থন করতে গিয়ে ওপেক প্লাস তেল উৎপাদন কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তেল উৎপাদনকারী দেশ রাশিয়া ওপেক প্লাসের সদস্য।

এর আগে বুধবার আমেরিকার আপত্তি সত্ত্বেও অপরিশোধিত তেল উৎপাদন দৈনিক ২০ লাখ ব্যারেল কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে শীর্ষ তেল উৎপাদক ও রপ্তানিকারকদের জোট ওপেক প্লাস।

বুধবার অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় জোটের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তেলের বাজারে নিজেদের আধিপত্য ও দাম ধরে রাখতে ওপেক প্লাস এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

 

Comments (0)
Add Comment