গতকাল শনিবার দুপুরে এ নিয়ে কথা বলেন মধুমিতা। কলকাতার গলফ গ্রিন এলাকার বাসা থেকে মুঠোফোনে তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে এসব নিয়ে আমার তরফ থেকে খুব বেশি কথা বলা বারণ আছে। তদন্ত চলছে, কয়েক দিনের মধ্যে একটা ফলাফল জানতে পারব।’
মধুমিতা চক্রবর্তীকে নিয়ে আপত্তিকর সংবাদ পরিবেশনে পারিবারিক, সামাজিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। মধুমিতা বলেন, ‘নিজেদের আলোচনায় আনার জন্য এভাবেও সংবাদ করা যায়! এরা বুঝতে পারছে না যে এমন সংবাদে লোকে অনেক কিছু ভাবছে। ব্যাপারটিকে প্রতিষ্ঠিত করতে কলকাতার একটি সংবাদমাধ্যমের বরাতও দিয়েছে! আমি খুবই মর্মাহত। আশার কথা হচ্ছে, এ-সংক্রান্ত সব প্রমাণ এরই মধ্যে আমাদের কাছে চলে এসেছে।’ আপত্তিকর ও ভুয়া খবরটি ভাইরাল হয়ে যাওয়ার পর ফেসবুকে নিজের কঠোর অবস্থানের কথা জানান তিনি। বলেন, ‘আজ ওরা আমাকে নিয়ে কিছু করে পার পেয়ে গেলে পরে আপনাদের (বাংলাদেশের) কাউকে নিয়ে এমন করবে। নোংরা একটা জিনিস, এটার বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলা উচিত, তাই তুলেছি। আমাকে যাঁরা চেনেন, তাঁরা অবশ্য এই গুজবে কান দেবেন না। এটা এমন কোনো বিশ্বস্ত কোনো সূত্রও না। তবে খবরটা ভাইরাল হওয়ায় গ্রামগঞ্জে আমার ভক্তরা বিভ্রান্ত হতে পারেন।’
সম্প্রতি বাংলাদেশের একটি টেলিছবিতে কাজ করেছেন কলকাতার এই অভিনেত্রী। মেঘবালিকা নামের সেই টেলিছবিতে মোশাররফ করিমের বিপরীতে অভিনয় করেছেন তিনি।