সূত্র জানায়, সিটিসেলের কার্যক্রম বন্ধের সিদ্ধান্ত গত বৃহস্পতিবার চূড়ান্ত হয়। আইন পর্যালোচনা করেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এক্ষেত্রে ২০০১ সালের টেলিযোগাযোগ আইনে প্রদত্ত ক্ষমতাবলেই ব্যবস্থা নেবে বিটিআরসি। এ ছাড়া টুজি লাইসেন্স ও বেতার তরঙ্গ বরাদ্দ নবায়ন ফিসহ সিটিসেলের কাছে বিটিআরসির প্রায় ৪৭৭ কোটি টাকা রাজস্ব বকেয়া রয়েছে। এ অবস্থায় যে কোনো সময় বেতার তরঙ্গ বরাদ্দ বাতিলসহ কার্যক্রম বন্ধ করতে পারে বিটিআরসি। সিটিসেলের গ্রাহকদের বিকল্প খুঁজে নিতে সর্বশেষ গত ১৭ আগস্ট নোটিশ জারি করে সাত দিন সময়সীমা বেঁধে দেয় বিটিআরসি। ওই সাত দিন শেষ হবে ২৩ আগস্ট মঙ্গলবার রাত ১২টায়।
এদিকে কেন লাইসেন্স বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে সিটিসেলকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে বিটিআরসি। গত বৃহস্পতিবার ওই নোটিশ দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। জবাব দেওয়ার জন্য এক মাসের সময় দেওয়া হয়েছে। সূত্র জানায়, লাইসেন্স বাতিলে কারণ দর্শানোর সময় এবং সিটিসেলের অপারেশনাল কার্যক্রম বন্ধের বিষয়টি পৃথক। কারণ আইন অনুযায়ী বকেয়া রাজস্ব না পেলে যে কোনো মুহূর্তে বিটিআরসি যে কোনো অপারেটরের কার্যক্রম বন্ধের এখতিয়ার রাখে। কার্যক্রম বন্ধ রেখেই লাইসেন্স বাতিলের প্রক্রিয়া চলতে পারে। এক্ষেত্রেও তাই হচ্ছে। এ ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে সিটিসিলের সিইও মেহবুব চৌধুরী সমকালকে বলেন, বিটিআরসির কারণ দর্শানোর নোটিশ তারা পেয়েছেন এবং তারা এর জবাব দেবেন।