চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দিন দিন আন্তর্জাতিক ফ্লাইট কমে যাচ্ছে।
গত কয়েক বছরে প্রায় ১৩টি বিদেশি এয়ারলাইন্স তাদের কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি রুটে মাত্র পাঁচটি এয়ারলাইন্স ফ্লাইট চালাচ্ছে।
ইরান যুদ্ধের প্রভাবে গত ৪০ দিনে ২৮১টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
কারণ হিসেবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পর্যাপ্ত অবকাঠামো নেই। টার্মিনাল ছোট, ইমিগ্রেশন ও চেক-ইন কাউন্টার অপ্রতুল, বোর্ডিং ব্রিজ মাত্র দুটি, রি-ফুয়েলিং ও বিমান মেরামতের সুবিধা নেই, প্যারালাল ট্যাক্সিওয়ে নেই। এছাড়া চট্টগ্রামের ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ স্থবির থাকায় বিদেশি যাত্রী ও পর্যটক কমে গেছে।
বন্ধ হওয়া এয়ারলাইন্সগুলোর মধ্যে আছে থাই স্মাইল, কুয়েত এয়ার, মালিন্দো, হিমালয়ান, ওমান এয়ার, স্পাইসজেট, সিল্ক এয়ার প্রভৃতি। বর্তমানে উড়ছে বিমান, ইউএস-বাংলা, এয়ার অ্যারাবিয়া, সালাম এয়ার ও ফ্লাই দুবাই।
বিমানবন্দরের যাত্রী ধারণক্ষমতা বছরে ২০ লাখ হলেও বর্তমানে চলছে মাত্র ১০ লাখ। ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত আন্তর্জাতিক রুটে যাত্রী ছিল ৩.৯২ লাখ, আগের বছর ছিল ৯.৮২ লাখ।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অবকাঠামো উন্নয়নের কাজ চলছে। তবে ইরান যুদ্ধের কারণে দুবাই-শারজাহ রুটের ফ্লাইট এখনো চালু হয়নি।