রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স বর্তমানে এক চরম নেতিবাচক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।
কারিগরি ত্রুটির কারণে বহরের গুরুত্বপূর্ণ একাধিক বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার অচল হয়ে পড়ায় সংস্থাটির নিয়মিত ফ্লাইট শিডিউল পুরোপুরি এলোমেলো হয়ে গেছে।
বিশেষ করে সামনে ১৮ এপ্রিল থেকে হজ ফ্লাইট শুরু হওয়ার কথা থাকায় এই সংকট আরও ঘনীভূত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
চলমান এই পরিস্থিতির বিস্তারিত চিত্র নিচে তুলে ধরা হলো:
ড্রিমলাইনার বহরে বড় ধরনের বিপর্যয়:
বিমানের বহরে থাকা মোট ৬টি বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনারের মধ্যে একাধিক উড়োজাহাজ বর্তমানে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে উড্ডয়নে অক্ষম।
বিমানের বহরে থাকা মোট ৬টি বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনারের মধ্যে একাধিক উড়োজাহাজ বর্তমানে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে উড্ডয়নে অক্ষম।
এর মধ্যে একটি বি৭৮৭-৯ ঢাকায় অচল হয়ে পড়ে আছে। অন্যদিকে, ঢাকা-চট্টগ্রাম-মাসকাট রুটে চলাচলের সময় একটি বোয়িং ৭৮৭-৮ উড়োজাহাজ মাসকাট বিমানবন্দরেই বিকল হয়ে পড়ে রয়েছে।
এর ফলে সিলেট-লন্ডন রুটের মতো গুরুত্বপূর্ণ দীর্ঘপাল্লার ফ্লাইটের পরিকল্পনাও ব্যাহত হচ্ছে।
লন্ডন ও মদিনা ফ্লাইটে চরম অনিশ্চয়তা:
শিডিউল বিপর্যয়ের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়েছে লন্ডন ও সৌদি আরবের ফ্লাইটে। মদিনা থেকে আসা একটি ড্রিমলাইনার ঢাকা ও মদিনা উভয় স্থানেই ত্রুটির কবলে পড়ে ৩ ঘণ্টার বেশি বিলম্বিত হয়েছে। রিয়াদগামী একটি বোয়িং ৭৭৭ উড়োজাহাজও প্রায় ২ ঘণ্টা দেরি করে ঢাকা ছেড়েছে। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো লন্ডনগামী ফ্লাইটটি নিয়ে; বারবার সময় পেছানোর ফলে এটি লন্ডনের ‘নাইট অপারেশন’ বা রাত্রিকালীন উড্ডয়ন নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে, যা শেষ পর্যন্ত ফ্লাইট বাতিলের কারণ হতে পারে।
শিডিউল বিপর্যয়ের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়েছে লন্ডন ও সৌদি আরবের ফ্লাইটে। মদিনা থেকে আসা একটি ড্রিমলাইনার ঢাকা ও মদিনা উভয় স্থানেই ত্রুটির কবলে পড়ে ৩ ঘণ্টার বেশি বিলম্বিত হয়েছে। রিয়াদগামী একটি বোয়িং ৭৭৭ উড়োজাহাজও প্রায় ২ ঘণ্টা দেরি করে ঢাকা ছেড়েছে। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো লন্ডনগামী ফ্লাইটটি নিয়ে; বারবার সময় পেছানোর ফলে এটি লন্ডনের ‘নাইট অপারেশন’ বা রাত্রিকালীন উড্ডয়ন নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে, যা শেষ পর্যন্ত ফ্লাইট বাতিলের কারণ হতে পারে।
হজ ফ্লাইটের আগে চরম উদ্বেগ:
আগামী ১৮ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া হজ ফ্লাইট পরিচালনার জন্য বিমান যখন প্রস্তুতি নিচ্ছে, ঠিক তখনই এই কারিগরি সংকট দেখা দিল। ড্রিমলাইনারের মতো আধুনিক উড়োজাহাজগুলো অচল থাকায় হজ যাত্রীদের পরিবহন নিশ্চিত করা এবং নিয়মিত রুটের ভারসাম্য রক্ষা করা বিমানের জন্য এক বিশাল চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আগামী ১৮ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া হজ ফ্লাইট পরিচালনার জন্য বিমান যখন প্রস্তুতি নিচ্ছে, ঠিক তখনই এই কারিগরি সংকট দেখা দিল। ড্রিমলাইনারের মতো আধুনিক উড়োজাহাজগুলো অচল থাকায় হজ যাত্রীদের পরিবহন নিশ্চিত করা এবং নিয়মিত রুটের ভারসাম্য রক্ষা করা বিমানের জন্য এক বিশাল চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
যাত্রী ভোগান্তি ও বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা:
বিমান চলাচল বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দ্রুত এই কারিগরি সমস্যার সমাধান না হলে অপারেশনাল চাপ সামলানো অসম্ভব হয়ে পড়বে। নিয়মিত ফ্লাইটের শত শত যাত্রী ইতিমধ্যে বিমানবন্দরে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। হজ মৌসুমে এই অবস্থা চলতে থাকলে সংস্থাটির সুনাম ও আয়ের ওপর বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বিমান চলাচল বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দ্রুত এই কারিগরি সমস্যার সমাধান না হলে অপারেশনাল চাপ সামলানো অসম্ভব হয়ে পড়বে। নিয়মিত ফ্লাইটের শত শত যাত্রী ইতিমধ্যে বিমানবন্দরে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। হজ মৌসুমে এই অবস্থা চলতে থাকলে সংস্থাটির সুনাম ও আয়ের ওপর বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।