তিনি বলেন, বিমানবন্দরের ক্যাটাগরি জটিলতার কারণে আমরা এখনও দূরপাল্লার রুটে অপারেশন করতে সক্ষম নই। সিভিল এভিয়েশন তবে সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিকতা এসব বাধা দূর করতে পারে। আর ক্যাটগিরির উন্নয়ন হলে ধীরে ধীরে ইউরোপ-আমেরিকার আকাশেও ডানা মেলার পরিকল্পনা রয়েছে আমাদের।
মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন আরও বলেন, বর্তমানে ঢাকা-কাঠমান্ডু-ঢাকা, ঢাকা-মাসকাট-ঢাকা ফ্লাইট চলছে। ঢাকা-কলকাতা-ঢাকা রুটে তো রয়েছে প্রতিদিনের ফ্লাইট। রয়েছে চট্টগ্রাম থেকে সরাসরি কলকাতার সংযোগ।
তিনি বলেন, সেবা ও মানে আমরা কখনও কম্পোমাইজ করিনি, ভবিষ্যতেও করবো না। সর্বোচ্চ যাত্রীসেবা দিয়ে যথাসময়ে ফ্লাইট অপারেশনে সুনাম কুঁড়িয়েছে আমাদের এয়ারলাইন্স। শিডিউল বিপর্যয় না থাকায় যাত্রীদের আস্থা বাড়ছে। তাদের আস্থার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আমারা নতুন রুটে যাচ্ছি। ধীরে ধীরে এশিয়ার নির্ভরযোগ্য, একটি এয়ারলাইন্স হয়ে উঠতে চায় ইউএস-বাংলা। যেটিতে কোনো ধরনের সিডিউল উলট-পালট হবে না।