রোববার (০৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফিতা কেটে নতুন উড়োজাহাজটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এহসানুল গনি চৌধুরী।
এ সময় হাবিব গ্রুপের চেয়ারম্যান ইয়াকুব আলী, রিজেন্ট এয়ারওয়েজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসরুফ হাবিব, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) লে. জেনারেল (অব.) এম ফজলে আকবর, এনডিসি, পিএসসিসহ প্রতিষ্ঠানের ঊধর্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ উপলক্ষে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। রিজেন্টের নতুন বোয়িং উদ্বোধন করেন বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এহসানুল গনি চৌধুরী।
এর আগে শনিবার (০৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সিঙ্গাপুর থেকে ঢাকায় এসে পৌঁছালে বিমানবন্দরে দুইটি জলযান থেকে পানি ছিটিয়ে ‘ওয়াটার ক্যানন স্যালুট’র মাধ্যমে নতুন উড়োজাহাজটিকে অভ্যর্থনা জানানো হয়। রিজেন্ট এয়ারওয়েজের চেয়ারম্যান ইয়াসিন আলী উড়োজাহাজটি গ্রহণ করেন।
১৬৭ আসনের এ উড়োজাহাজে ৮টি বিজনেস এবং বাকি ১৫৯টি ইকোনমি আসন রয়েছে। আসন বিন্যাস ও পরিসরতার জন্য এই উড়োজাহাজে ভ্রমণ বেশ আরামদায়ক হবে।
নতুন বোয়িংসহ রিজেন্টের বহরে উড়োজাহাজের সংখ্যা ৬টিতে দাঁড়ালো। এর মধ্যে ৪টি বোয়িং এবং দুটি ড্যাশ। নতুন উড়োজাহাজটি দিয়ে আরও দুইটি রুট চালু করা হবে এবং তখন রিজেন্টের মাসিক ফ্লাইট সংখ্যা ৭০০টিতে দাঁড়াবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
রিজেন্ট এয়ারওয়েজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসরুফ হাবিব বলেন, ‘চলতি বছরে আন্তর্জাতিক গন্তব্য সম্প্রসারণ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নতুন প্রজন্মের সবচেয়ে আধুনিক প্রযুক্তির উড়োজাহাজটি বহরে যুক্ত করা হয়েছে।
২০১০ সালের ১০ নভেম্বর দুটি ড্যাশ-৮ কিউ উড়োজাহাজ দিয়ে যাত্রা শুরু করে রিজেন্ট এয়ারওয়েজ। ২০১৩ সালের ১৫ জুলাই ২টি বোয়িং ৭৩৭-৭০০ উড়োজাহাজ দিয়ে কুয়ালালামপুর রুটের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক গন্তব্যে অভিষেক হয়। বর্তমানে মাসকাট, কুয়ালালামপুর, সিঙ্গাপুর, ব্যাংকক, কলকাতা, কাঠমান্ডু আন্তর্জাতিক রুটে এবং ঢাকা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অভ্যন্তরীণ রুটে চলছে রিজেন্ট এয়ারওয়েজ।