হাব কর্তৃপক্ষও গণমাধ্যমের মাধ্যমে প্রাক-নিবন্ধনে চরম অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উত্থাপন করেন। অভিযোগের বিপরীতে প্রাক-নিবন্ধনের আইটি প্রতিষ্ঠান বিজনেস অটোমেশন সিস্টেমটি কারিগরিভাবে ত্রæটিমুক্ত হিসেবে হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)-এর প্রতিনিধিবৃন্দের স্বাক্ষরিত পত্র এবং বুয়েটের কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগের প্রত্যয়নপত্র হাইকোর্টে উপস্থাপন করে। বিজনেস অটোমেশনের পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন ব্যারিস্টার তানজির-উল আলম। তিনি শুনানিতে বলেন, বিগত বছরের ন্যায় একই পদ্ধতি বহাল রেখে হাবসহ বিভিন্ন কারিগরি বিশেষজ্ঞদের যাচাইয়ের পর প্রাক-নিবন্ধন সিস্টেমটি ১৯ ফেব্রæয়ারি শুরু হয়। পুরো সময়টিতে ধর্ম মন্ত্রণালয় ও বুয়েটের কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপকবৃন্দ প্রাক-নিবন্ধন সিস্টেমটি নজরদারি করেন। বিজনেস অটোমেশনের আইনজীবী আদালতে বলেন, প্রাক-নিবন্ধনে কোনো অনিয়ম, প্রতারণা, অসৎ উদ্দেশ্য বা আইন ভঙ্গের কোনো ঘটনা ঘটেনি। আইনজীবী রিট পিটিশনটি খারিজ করার জন্য অনুরোধ জানান। শুনানিতে ৩২ হজ এজেন্সির মালিকগণ উপস্থাপিত দালিলিক প্রমাণাদিসমূহকে কোনোরকম খÐন করতে সক্ষম হয়নি। আদালতে শুনানি শেষে ঠিক রায় ঘোষণার পূর্বে ৩২টি হজ এজেন্সি তাদের রিট পিটিশন নন-প্রসিকিউশনের আবেদন করলে হাইকোর্ট রিট পিটিশনটি খারিজ করে দেন। এদিকে, বিজনেস অটোমেশন লিমিটেডের সিইও, ই-সার্ভ ও পরিচালক এবং সাবেক পরিচালক হজ মো: বজলুল হক বিশ্বাস এক বিবৃতিতে বলেছেন, একটি চক্র হজ ব্যবস্থাপনাকে সমস্যার আবর্তে ফেলে তাদের ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধির জন্য হজের প্রাক-নিবন্ধন নিয়ে বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর তথ্য গণমাধ্যমে প্রচার করছে। চক্রটি ই-হজ ব্যবস্থাপনাকে সফলভাবে বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানকে বিতর্কিত করার জন্য হাবের প্লাটফর্ম ব্যবহার করছে। এই চক্রটি ওমরার নামে সউদী আরবে মানবপাচারের সুনির্দিষ্ট অভিযোগে অভিযুক্ত। বিজনেস অটোমেশনকে সরাতে পারলে নিবন্ধন সিস্টেমটি হোঁচট খাবে এবং চক্রটি তাদের পক্ষে কোটা বেচা-বিক্রি করা সম্ভব হবে। চক্রটি বিগত বছরের ন্যায় কোটা বাণিজ্য করতে না পেরে প্রাক-নিবন্ধন নিয়ে প্রোপাগান্ডা চালাচ্ছে বলেও বজলুল হক বিশ্বাস দাবি করেন।