গত বৃহস্পতিবার হাব সমন্বয় পরিষদের কার্যালয়ে তিনি সাংবাদিকদের কাছে এ কথা বলেন। আগামী ২০ এপ্রিল হজ্ব এজেন্সিজ এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব) এর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচনে হাব সমন্বয় পরিষদের প্যানেলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন হাবের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক সভাপতি আলহাজ্জ জামাল উদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, ২০১১ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালনকালে হজ্ব ব্যবস্থাপনাকে একটি সুষ্ঠু অবস্থায় নিয়ে এসেছিলাম। এজেন্সিদের একাউন্টে হাজীদের সকল টাকা জমা করার একটি সিষ্টেম চালু করেছিলাম। কিন্তু ২০১৫ সাল থেকে কমিটি থেকে হজ্ব ব্যবস্থাপনায় একটি দুষ্ট চক্র কুক্ষিগত করে রেখেছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য তিনি এবারের নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন।
তার বিরুদ্ধে ২০১৫ সালের কোটার অতিরিক্ত ৫ হাজার হজ্বযাত্রীর ব্যবস্থাপনায় তার বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ সর্ম্পকে তিনি বলেন, আমি এসব হাজীদের থাকার ব্যবস্থার জন্য বাড়ির সন্ধান দিয়েছিলাম। কিন্তু টাকা তো আমার হাত দিয়ে খরচ হয়নি। টাকা দিয়েছে মক্কার হজ্ব কাউন্সিলর। আর এজেন্সিগণ আড়াই লাখ টাকা করে হাবের একাউন্টে জমা দিয়েছিল। প্রত্যেক হাজীর জন্য ১লাখ ৮০ হাজার টাকা করে খরচ হয়েছিল। কিন্তু অবশিষ্ট হাজী প্রতি ৭০ হাজার টাকা কোথায় গেল? এসব টাকা এজেন্সিদেরকে কেন ফেরত দেয়া হয়নি? তিনি বলেন, এ ঘটনাটির বিষয়ে দুদকসহ সরকারি বিভিন্ন সংস্থাগুলোর কাছেও তথ্য আছে। কেন এ ঘটনার তদন্ত হয়নি। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছি। হাজীর টাকা নিয়ে যারা অনিয়ম করছে তাদের বিচার হওয়া উচিত। এ ঘটনায় যদি আমিও দোষী সাব্যস্ত হলে যে কোন শাস্তির জন্য প্রস্তুত আছি। হজ্ব ব্যবস্থাপনায় একটি দুষ্ট চক্র রয়েছে। এ দুষ্ট চক্র দূর করার জন্য তাদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য তিনি সরকারের প্রতি আহবান জানান।