অবশেষে ক্যাটাগরি ‘১’ হচ্ছে শাহজালাল (র.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর

ক্যাটাগরি-১ হওয়ার জন্য সব ধাপ পার করেছে শাহজালাল (র.) আন্তজাতিক বিমানবন্দর। এই অবস্থার শিগগিরই ক্যাটাগরি-১ ঘোষনা দিতে পারে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষকে (বেবিচক)! গত শনিবার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সর্বশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিভিন্ন ধাপ পর্যবেক্ষণ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রক সংস্থা এফএএ’র দুই সদস্য। গোপনীয়তা রক্ষা করে শাহজালালের বেশকিছু স্পর্শকাতর স্থান পরিদর্শন করেন তারা।

শনিবার রাতেই তারা ঢাকা ত্যাগ করেন বলে জানিয়েছে বেবিচক সূত্র। প্রতিনিধি দল একদিনের সফরে ঢাকায় এসেছিল।

সূত্র জানায়, চলতি মাসেই এফএএ’র প্রতিনিধি দল তাদের মতামত সম্মিলিত প্রতিবেদন দাখিল করবে। তাদের প্রতিবেদনে উত্তীর্ণ হলেই নিউইয়র্কে ফ্লাইট চালু করতে পারবে বাংলাদেশ বিমান।

এ বিষয়ে বেবিচকের ফ্লাইট সেফটি অ্যান্ড রেগুলেশন বিভাগের পরিচালক উইং কমান্ডার চৌধুরী জিয়াউল কবির  বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রক সংস্থার দুই সদস্যের প্রতিনিধি দলের সর্বশেষ মতামতের পরই আমাদের ক্যাটাগরি পরিবর্তন হবে। আমরা ক্যাটাগরি ‘এ’ তে উন্নীত হব। এ অডিটে উত্তীর্ণ হলেই বাংলাদেশ নিউইয়র্ক, টরেন্টোসহ ইউরোপের যে কোনো গন্তব্যে ফ্লাইট চালু করতে পারবে। এর আগে গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে প্রথম অডিটে বেবিচকের গৃহীত পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করেছিল এফএএ।

প্রসঙ্গত, ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি একটি সংস্থা। সে দেশের বেসামরিক বিমানের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থাগুলোর ওপর খবরদারির ক্ষমতা রয়েছে সংস্থাটির। বিমানবন্দর নির্মাণ, অপারেশন, বিমানের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, কর্মী ও বিমানের সার্টিফিকেশন এবং বাণিজ্যিক আকাশযানগুলোর গতিপথ নিয়ন্ত্রণ ও সুরক্ষার বিষয়টি তাদের কাজের মধ্যে পড়ে।

এ ব্যাপারে সামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মহিবুল হক  বলেন, আমরা শতভাগ আশাবাদী যে, বেবিচক ক্যাটাগরি ওয়ানে উন্নীত হবে। এটি না হওয়ায় বহরে ড্রিমলাইনারসহ আধুনিক উড়োজাহাজ থাকলেও নিউইয়র্কে ফ্লাইট চালু করতে পারছে না বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।

তিনি বলেন, ক্যাটাগরি ‘এ’ না হলে কোনো দেশের উড়োজাহাজ যুক্তরাষ্ট্রের আকাশে চলাচল করতে পারে না। আমরা ইতোমধ্যে এ যোগ্যতা অর্জন করতে পেরেছি বলে মনে করি।

Comments (0)
Add Comment