এবিএম সুমন ও প্রসূন আজাদ – দুজনেরই শুরুটা হয়েছিল মডেলিংয়ে মাধ্যমে। সুমন র্যাম্পে ব্যস্ত হয়ে উঠলেন আর সুন্দরী প্রতিযোগিতার মাধ্যমে উঠে এলেন প্রসূন। টিভি নাটকের পর চলচ্চিত্রেও মুখ দেখাতে শুরু করেছেন। এই জুটির প্রথম সিনেমা ‘অচেনা হৃদয়’ মুক্তি পেতে যাচ্ছে শুক্রবার।
একই সিনেমার মাধ্যমে পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছেন ছোট পর্দার জন্য নাটক ও অনুষ্ঠান নির্মাতা শফিকুল ইসলাম খান। সম্প্রতি এভিয়েশন নিউজ ডটকমের কাযর্ালয়ে তারা জম্পেশ আড্ডা দিলেন গ্লিটজের সঙ্গে।
শফিকুল: ‘নিঃশব্দ আর্তনাদ’-এর চিত্রনাট্য একটু অফট্র্যাক ঘরানার ছিল। কিন্তু সিনেমার মূল দর্শকদের কথা ভেবে আমি তখন বাণিজ্যিক ধারা নিয়ে ভাবছিলাম। সেই ভাবনা থেকেই গল্প পরিবর্তন করা হল। ‘অচেনা হৃদয়’ – এর মুখ্য চরিত্র রুদ্রকে নিয়ে আমি তখনও ভাবছিলাম না। কিন্তু যখন গল্প পরিবর্তন করা হল, তখন আমি এক গ্যাংস্টারের লাইফস্টাইল, তার প্রেম-ভালোলাগা সবকিছু নিয়ে ভাবতে শুরু করি। ভাবতে লাগলাম রুদ্রের প্রেমিকা রূপাকে নিয়ে। তাদের প্রেম কাহিনির নাম দিলাম ‘অচেনা হৃদয়’। বাকি গল্পটি না হয় হলে এসেই জানুক দর্শক।
এভিয়েশন নিউজ : বাণিজ্যিক চলচ্চিত্রে প্রথমবারের মতো কাজ করলেন। প্রথম চলচ্চিত্রের প্রধান দুই চরিত্রে আপনি বেছে নিয়েছেন একেবারেই নতুন দুই মুখকে। ব্যাপারটি ঝুঁকির হয়ে গেল না?
শফিকুল: পুরো ব্যাপারটি ছিলো প্রযোজকের সিদ্ধান্ত। আমাদের গল্প অনুযায়ী একেবারেই নবাগত মুখ দরকার ছিলো। নতুন অভিনেতা-অভিনেত্রী হিসেবে অনেকের অডিশন নিয়েছিলাম। কিন্তু রুদ্র চরিত্রের জন্য আমার মনে হলো সুমনই সেরা। গল্পকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য ঠিক যেমন লুক দরকার ছিলো সুমন ঠিক তেমনই।
প্রসূন ইতোমধ্যে অনেকগুলো নাটকে অভিনয় করে ফেলেছে। তার ‘সর্বনাশা ইয়াবা’ সিনেমাটিও মুক্তি পেয়ে গেছে। আমি তার অভিনয় দেখেছি। রূপা চরিত্রটি প্রসূন ছাড়া অন্য কেউ করতে পারত না।
নতুনদের নিয়ে আমরা কাজ না করলে ওরা উঠে আসবে কি করে! ব্যাপারটি একেবারেই ঝুঁকির নয় আমার কাছে।
এভিয়েশন নিউজ : চলচ্চিত্র পরিচালনায় আসার আগে আপনি অনুষ্ঠান প্রযোজক আর নাট্যপরিচালক হিসেবে কাজ করেছেন। চলচ্চিত্রে আসার ব্যাপারটি কিভাবে ঘটলো?
শফিকুল: সিনেমার প্রতি এক অন্যরকম ভালোলাগা, ভালোবাসা আমার অনেক আগেই ছিল। কলেজে যখন পড়ি, তখন এফডিসির গেইটে এসে দাঁড়িয়ে থাকতাম। এখন চলচ্চিত্রের বাজারও একটু ভালোর দিকে। পরিস্থিতি অনুকূলে বলেই আমরা এই চলচ্চিত্রের কাজটি করছি।
এভিয়েশন নিউজ : আসছি সুমনের কাছে। রুদ্র চরিত্রটি নিয়ে বলুন।
সুমন: রুদ্র চরিত্রটি একজন গ্যাংস্টারের। রুদ্রের ভেতরে ভালোবাসার কোনো স্থান নেই। ঘটনাচক্রে রুপার সঙ্গে তার পরিচয় ঘটে। পরিচয় সূত্রে তারা প্রেমে পড়ে একে অপরের। গ্যাংস্টার রুদ্রের জীবনে রূপার প্রভাব নিয়ে এগুতে থাকে গল্প।
এভিয়েশন নিউজ : চরিত্রের জন্য কিভাবে নিজেকে প্রস্তুত করেছিলেন?
সুমন: অভিনয়ের জন্য মাত্র একমাসের মধ্যেই আমি বাইসাইকেল ও মোটরবাইক চালানো শিখেছি। ব্যক্তিজীবনে আমি খুবই লাজুক। কিন্তু সিনেমার রোমান্টিক দৃশ্যগুলোতে অভিনয়ের জন্য আমার নিজেকে যথেষ্ট ভাঙ্গতে হয়েছে। আর প্রায় একমাস তো রুদ্র চরিত্রের জন্য নিয়মিত রিহার্সেল হয়েছে।
আমি মার্শাল আর্ট, তায়কোয়ান্দোতে পারদর্শী বলে অ্যাকশন দৃশ্যগুলোতে খুব সহজে উতরে গেছি।
এভিয়েশন নিউজ : সিনেমাতে সহশিল্পী প্রসূন আজাদের সঙ্গে সম্পর্কের রসায়ন কেমন ছিল?
সুমন: অনস্ক্রিন ও অফস্ক্রিন-দুই ক্ষেত্রেই প্রসূনের সঙ্গে আমার সম্পর্কের রসায়ন খুবই মধুর ছিল। শুটিংয়ের আগে প্রায় একমাস আমরা রিহার্সেল করেছি। রুদ্র ও রুপা চরিত্রের ভেতরে প্রবেশ করতে কোনো সমস্যা হয়নি। যার প্রতিফলন ঘটেছে আমাদের অভিনীত দৃশ্যগুলোতে। সহঅভিনেত্রী হিসেবে প্রসূন আমাকে যথেষ্ট সহযোগিতা করেছে।
এভিয়েশন নিউজ : প্রসূন এটি আপনার দ্বিতীয় চলচ্চিত্র। ‘অচেনা হৃদয়’ সিনেমায় রূপা চরিত্রটি কেমন ছিলো?
প্রসূন: রুপা চরিত্রটি পরিবারের ভীষণ আদুরে একটি মেয়ের। রূপা ঠিক যেমন ধরনের ছেলেদের অপছন্দ করে, ঠিক তেমনই একটি ছেলেকে সে ভালোবেসে ফেলে।
এভিয়েশন নিউজ : চরিত্রের জন্য কি ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছিলেন?
প্রসূন: খুব ঘটা করে প্রস্তুতি নিইনি আমি। রুপা মেয়েটি দেখতে কেমন, কিভাবে চলাফেরা ও চিন্তা করে, রূপার ছোটবেলা কেমন ছিল-এই বিষয়গুলো মাথায় কাজ করেছে বেশ। রূপার জীবনের নানা বাঁকের গল্প খুব মনোযোগ দিয়ে পড়েছি আমি। আমি ভাবতাম, বাস্তবে আমি যদি রূপা হতাম!
এভিয়েশন নিউজ : অনেক সিনেমার প্রস্তাব ছিল আপনার হাতে, কিন্তু বেছে নিলেন ‘অচেনা হৃদয়’ সিনেমাটি। কেন?
প্রসূন: আমাদের দেশের সিনেমাগুলো নায়কর্নিভর হয়ে থাকে। যেখানে অনেক সময় আমরা কোনো গল্প খুঁজে পাই না। কিন্তু ‘অচেনা হৃদয়’ সিনেমাটি প্রেম-দ্বন্দ্বের মিশেলে এমন একটি গল্পের সিনেমা যা একটি মেয়ে চরিত্রর্নিভর। আমরা বহুদিন এমন সিনেমা দেখিনি। এ ধরনের গল্পে অভিনয়ের সুযোগ ভবিষ্যতে আর পাবো কি না সন্দেহ! চিত্রনাট্যকার এই চরিত্রটিকে এত সুন্দরভাবে চিত্রায়িত করেছেন যে সিনেমাতে অভিনয়ের লোভনীয় প্রস্তাবটি লুফে নেই।
এভিয়েশন নিউজ : রূপা চরিত্রটি নিয়ে আপনি কতটা আশাবাদী?
এবিএম সুমন ও প্রসূন আজাদ – দুজনেরই শুরুটা হয়েছিল মডেলিংয়ে মাধ্যমে। সুমন র্যাম্পে ব্যস্ত হয়ে উঠলেন আর সুন্দরী প্রতিযোগিতার মাধ্যমে উঠে এলেন প্রসূন। টিভি নাটকের পর চলচ্চিত্রেও মুখ দেখাতে শুরু করেছেন। এই জুটির প্রথম সিনেমা ‘অচেনা হৃদয়’ মুক্তি পেতে যাচ্ছে শুক্রবার।
একই সিনেমার মাধ্যমে পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছেন ছোট পর্দার জন্য নাটক ও অনুষ্ঠান নির্মাতা শফিকুল ইসলাম খান। সম্প্রতি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের কাযর্ালয়ে তারা জম্পেশ আড্ডা দিলেন গ্লিটজের সঙ্গে।
এভিয়েশন নিউজ : সিনেমাটির নাম প্রথমে ছিল ‘নিঃশব্দ আর্তনাদ’। নাম বদলে হল ‘অচেনা হৃদয়’। নাম পাল্টালেন কেন?
শফিকুল: ‘নিঃশব্দ আর্তনাদ’-এর চিত্রনাট্য একটু অফট্র্যাক ঘরানার ছিল। কিন্তু সিনেমার মূল দর্শকদের কথা ভেবে আমি তখন বাণিজ্যিক ধারা নিয়ে ভাবছিলাম। সেই ভাবনা থেকেই গল্প পরিবর্তন করা হল। ‘অচেনা হৃদয়’ – এর মুখ্য চরিত্র রুদ্রকে নিয়ে আমি তখনও ভাবছিলাম না। কিন্তু যখন গল্প পরিবর্তন করা হল, তখন আমি এক গ্যাংস্টারের লাইফস্টাইল, তার প্রেম-ভালোলাগা সবকিছু নিয়ে ভাবতে শুরু করি। ভাবতে লাগলাম রুদ্রের প্রেমিকা রূপাকে নিয়ে। তাদের প্রেম কাহিনির নাম দিলাম ‘অচেনা হৃদয়’। বাকি গল্পটি না হয় হলে এসেই জানুক দর্শক।
এভিয়েশন নিউজ : বাণিজ্যিক চলচ্চিত্রে প্রথমবারের মতো কাজ করলেন। প্রথম চলচ্চিত্রের প্রধান দুই চরিত্রে আপনি বেছে নিয়েছেন একেবারেই নতুন দুই মুখকে। ব্যাপারটি ঝুঁকির হয়ে গেল না?
শফিকুল: পুরো ব্যাপারটি ছিলো প্রযোজকের সিদ্ধান্ত। আমাদের গল্প অনুযায়ী একেবারেই নবাগত মুখ দরকার ছিলো। নতুন অভিনেতা-অভিনেত্রী হিসেবে অনেকের অডিশন নিয়েছিলাম। কিন্তু রুদ্র চরিত্রের জন্য আমার মনে হলো সুমনই সেরা। গল্পকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য ঠিক যেমন লুক দরকার ছিলো সুমন ঠিক তেমনই।
প্রসূন ইতোমধ্যে অনেকগুলো নাটকে অভিনয় করে ফেলেছে। তার ‘সর্বনাশা ইয়াবা’ সিনেমাটিও মুক্তি পেয়ে গেছে। আমি তার অভিনয় দেখেছি। রূপা চরিত্রটি প্রসূন ছাড়া অন্য কেউ করতে পারত না।
নতুনদের নিয়ে আমরা কাজ না করলে ওরা উঠে আসবে কি করে! ব্যাপারটি একেবারেই ঝুঁকির নয় আমার কাছে।
এভিয়েশন নিউজ : চলচ্চিত্র পরিচালনায় আসার আগে আপনি অনুষ্ঠান প্রযোজক আর নাট্যপরিচালক হিসেবে কাজ করেছেন। চলচ্চিত্রে আসার ব্যাপারটি কিভাবে ঘটলো?
শফিকুল: সিনেমার প্রতি এক অন্যরকম ভালোলাগা, ভালোবাসা আমার অনেক আগেই ছিল। কলেজে যখন পড়ি, তখন এফডিসির গেইটে এসে দাঁড়িয়ে থাকতাম। এখন চলচ্চিত্রের বাজারও একটু ভালোর দিকে। পরিস্থিতি অনুকূলে বলেই আমরা এই চলচ্চিত্রের কাজটি করছি।
এভিয়েশন নিউজ : আসছি সুমনের কাছে। রুদ্র চরিত্রটি নিয়ে বলুন।
সুমন: রুদ্র চরিত্রটি একজন গ্যাংস্টারের। রুদ্রের ভেতরে ভালোবাসার কোনো স্থান নেই। ঘটনাচক্রে রুপার সঙ্গে তার পরিচয় ঘটে। পরিচয় সূত্রে তারা প্রেমে পড়ে একে অপরের। গ্যাংস্টার রুদ্রের জীবনে রূপার প্রভাব নিয়ে এগুতে থাকে গল্প।
এভিয়েশন নিউজ : চরিত্রের জন্য কিভাবে নিজেকে প্রস্তুত করেছিলেন?
সুমন: অভিনয়ের জন্য মাত্র একমাসের মধ্যেই আমি বাইসাইকেল ও মোটরবাইক চালানো শিখেছি। ব্যক্তিজীবনে আমি খুবই লাজুক। কিন্তু সিনেমার রোমান্টিক দৃশ্যগুলোতে অভিনয়ের জন্য আমার নিজেকে যথেষ্ট ভাঙ্গতে হয়েছে। আর প্রায় একমাস তো রুদ্র চরিত্রের জন্য নিয়মিত রিহার্সেল হয়েছে।
আমি মার্শাল আর্ট, তায়কোয়ান্দোতে পারদর্শী বলে অ্যাকশন দৃশ্যগুলোতে খুব সহজে উতরে গেছি।
এভিয়েশন নিউজ : সিনেমাতে সহশিল্পী প্রসূন আজাদের সঙ্গে সম্পর্কের রসায়ন কেমন ছিল?
সুমন: অনস্ক্রিন ও অফস্ক্রিন-দুই ক্ষেত্রেই প্রসূনের সঙ্গে আমার সম্পর্কের রসায়ন খুবই মধুর ছিল। শুটিংয়ের আগে প্রায় একমাস আমরা রিহার্সেল করেছি। রুদ্র ও রুপা চরিত্রের ভেতরে প্রবেশ করতে কোনো সমস্যা হয়নি। যার প্রতিফলন ঘটেছে আমাদের অভিনীত দৃশ্যগুলোতে। সহঅভিনেত্রী হিসেবে প্রসূন আমাকে যথেষ্ট সহযোগিতা করেছে।
এভিয়েশন নিউজ : প্রসূন এটি আপনার দ্বিতীয় চলচ্চিত্র। ‘অচেনা হৃদয়’ সিনেমায় রূপা চরিত্রটি কেমন ছিলো?
প্রসূন: রুপা চরিত্রটি পরিবারের ভীষণ আদুরে একটি মেয়ের। রূপা ঠিক যেমন ধরনের ছেলেদের অপছন্দ করে, ঠিক তেমনই একটি ছেলেকে সে ভালোবেসে ফেলে।
এভিয়েশন নিউজ : চরিত্রের জন্য কি ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছিলেন?
প্রসূন: খুব ঘটা করে প্রস্তুতি নিইনি আমি। রুপা মেয়েটি দেখতে কেমন, কিভাবে চলাফেরা ও চিন্তা করে, রূপার ছোটবেলা কেমন ছিল-এই বিষয়গুলো মাথায় কাজ করেছে বেশ। রূপার জীবনের নানা বাঁকের গল্প খুব মনোযোগ দিয়ে পড়েছি আমি। আমি ভাবতাম, বাস্তবে আমি যদি রূপা হতাম!
এভিয়েশন নিউজ : অনেক সিনেমার প্রস্তাব ছিল আপনার হাতে, কিন্তু বেছে নিলেন ‘অচেনা হৃদয়’ সিনেমাটি। কেন?
প্রসূন: আমাদের দেশের সিনেমাগুলো নায়কর্নিভর হয়ে থাকে। যেখানে অনেক সময় আমরা কোনো গল্প খুঁজে পাই না। কিন্তু ‘অচেনা হৃদয়’ সিনেমাটি প্রেম-দ্বন্দ্বের মিশেলে এমন একটি গল্পের সিনেমা যা একটি মেয়ে চরিত্রর্নিভর। আমরা বহুদিন এমন সিনেমা দেখিনি। এ ধরনের গল্পে অভিনয়ের সুযোগ ভবিষ্যতে আর পাবো কি না সন্দেহ! চিত্রনাট্যকার এই চরিত্রটিকে এত সুন্দরভাবে চিত্রায়িত করেছেন যে সিনেমাতে অভিনয়ের লোভনীয় প্রস্তাবটি লুফে নেই।
এভিয়েশন নিউজ : রূপা চরিত্রটি নিয়ে আপনি কতটা আশাবাদী?
প্রসূন: অভিনয়ের জন্য আমি খুবই সংগ্রাম করতে পারি। আমি সেই সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত আছি। সে কারনেই সিনেমায় অভিনয়ে আসা। সততার জায়গা থেকে আমি অভিনয়ের চেষ্টা করে যাচ্ছি। দর্শকের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। আশা করি, রূপা চরিত্রটি তাদের ভালো লাগবে।
এভিয়েশন নিউজ : ধরুন ‘অচেনা হৃদয়’ ব্যবসাসফল হলো না, তাহলে কি আপনি নাটকেই থিতু হবেন?
প্রসূন: আমাকে গ্রহণ করবেই দর্শক। আর ক্যারিয়ারের শুরুতে সফলতা পাননি এমন অনেক অভিনেত্রীই পরে লিজেন্ড হয়েছেন। এখানে আমি চলে যাওয়ার জন্য আসি নাই, এসেছি অভিনয় করার জন্য।
এভিয়েশন নিউজ : এই সিনেমার পছন্দের গান কোনটি?
প্রসূন: ‘অচেনা ছিল চেনা’ ও ‘আমি আজ নদীর মত’ গানদুটো আমার খুবই পছন্দ।
প্রসূন: অভিনয়ের জন্য আমি খুবই সংগ্রাম করতে পারি। আমি সেই সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত আছি। সে কারনেই সিনেমায় অভিনয়ে আসা। সততার জায়গা থেকে আমি অভিনয়ের চেষ্টা করে যাচ্ছি। দর্শকের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। আশা করি, রূপা চরিত্রটি তাদের ভালো লাগবে।
এভিয়েশন নিউজ : ধরুন ‘অচেনা হৃদয়’ ব্যবসাসফল হলো না, তাহলে কি আপনি নাটকেই থিতু হবেন?
প্রসূন: আমাকে গ্রহণ করবেই দর্শক। আর ক্যারিয়ারের শুরুতে সফলতা পাননি এমন অনেক অভিনেত্রীই পরে লিজেন্ড হয়েছেন। এখানে আমি চলে যাওয়ার জন্য আসি নাই, এসেছি অভিনয় করার জন্য।
এভিয়েশন নিউজ : এই সিনেমার পছন্দের গান কোনটি?
প্রসূন: ‘অচেনা ছিল চেনা’ ও ‘আমি আজ নদীর মত’ গানদুটো আমার খুবই পছন্দ।