সিভিল এভিয়েশন সূত্র জানায়, ২০০৯ সাল থেকে বাংলাদেশ বিমানের কাছে বিমান উড্ডয়ন, অবতরণ, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, অফিস ভাড়া, স্ক্যানিং মেশিন ও বোর্ডিং ব্রিজ ব্যবহারসহ অ্যারোনটিক্যাল ও নন অ্যারোনটিক্যাল খাতে ৩২০ কোটি টাকা পাওনা।
সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ বারবার তাগাদা দেওয়া সত্ত্বেও তা পরিশোধ করছেন না বাংলাদেশ বিমান কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়া বেসরকারি বিমান সংস্থা রিজেন্ট এয়ারওয়েজের কাছে ১৪ কোটি ৪২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা এবং জিএমজি এয়ারলাইনসের কাছে ১১৭ কোটি টাকা পাওনা রয়েছে। জিএমজি এয়ারলাইনস পাওনা পরিশোধ না করেই ইতোমধ্যে ব্যবসা গুটিয়ে নিয়েছে।