‘১৯ সাংবাদিক’ লকডাউনের ৩০ দিনে হামলা-মামলার শিকার 

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে দেশব্যাপী লকডাউন পরিস্থিতির ৩০ দিনে হামলা-মামলার শিকার হয়েছেন অন্তত ১৯ জন সাংবাদিক, জানানো হয়েছে একটি পর্যবেক্ষণকারী সংস্থার প্রতিবেদনে।

মঙ্গলবার ফোরাম ফর ফ্রিডম অব এক্সপ্রেশন বাংলাদেশ বা মুক্ত প্রকাশ নামের সংগঠনটির প্রকাশিত নিরীক্ষা প্রতিবেদনে এই ধরনের হামলা-মামলায় উদ্বেগ জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এই সময়ে ‘সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ’ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে সর্বোচ্চ ৬ জন সাংবাদিক ‘বিতর্কিত’ দুই আইনে মামলার মুখে পড়েছেন।

ত্রাণের চাল চুরির অভিযোগের সংবাদ প্রকাশের জেরে ওই জেলায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়েছে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী এবং জাগো নিউজের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মহিউদ্দিন সরকারের বিরুদ্ধেও।

ওই জেলায় দৈনিক অধিকারের জেলা প্রতিনিধি আল মামুনের বিরুদ্ধে সাইবার নিরাপত্তা আইনে মামলা এবং নিউজ টোয়েন্টিফোর ও বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রতিনিধিকে ‘পুলিশি নির্যাতনের’ কথাও তুলে ধরা হয় প্রতিবেদনে।

মার্চের শেষে ভোলার বোরহানউদ্দিনে স্থানীয় সাংবাদিক সাগর চৌধুরীকে ফেইসবুক লাইভে এসে নির্যাতন করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বড় মানিকা ইউপি চেয়ারম্যানের ছেলে সাগর চৌধুরী।

১৬ এপ্রিল ঢাকায় পুলিশি নির্যাতনের শিকার হন চ্যানেল টোয়েন্টিফোর ও বাংলাদেশ প্রতিদিনের আদালত প্রতিবেদক তুহিন হাওলাদার।

২৩ এপ্রিল নরসিংদীতে এসএ টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি সজল ভুঁইয়াকে মারধর করে রক্তাক্ত করেন আমিরগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান ও তার অনুসারীরা। মারধরের মুখে পড়েন টেলিভিশন চ্যানেলটির সিনিয়র রিপোর্টার বাতেন বিপ্লবও।

আরও খবর
আপনার কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published.