মেডিকেল সার্পোট না থাকায় যশোর-ঢাকা রুটের ফ্লাইট চালু করা সম্ভব হচ্ছে না। গত ১ জুন সরকার অভ্যন্তরীণ রুটে বিমান চলাচলের অনুমতি দিয়েছে । আর চিকিৎসক বরাদ্দ চেয়ে মাস দুয়েক আগেই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে চিঠি দিয়েছিল বেসরকারি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দর সৈয়দপুর বিমানবন্দরে সার্বক্ষণিক একজন চিকিৎসক নিয়োজিত আছেন। ফলে সেখানে বিমান চলাচল শুরু হয়েছে। কিন্ত গত এক সপ্তাহ যশোর সিভিল সার্জেন কোন মেডিকেল সাপোর্ট না দেওয়ায় দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে বিমান চালু সম্ভব হয়নি। খুলনা বিভাগের ১০ জেলার যাত্রীরা এখন ভোগান্তির শিকার হচ্ছে।
যশোর থেকে ঢাকায় যেতে ট্রেনে সময় লাগে আট ঘন্টা, আর সড়কপথে সময় লাগে (ফেরিঘাটে যানজট না থাকলে) ৬ ঘণ্টা। আর উড়োজাহাজে ঢাকায় পৌঁছতে সময় লাগে মাত্র ৩০ মিনিট। বিমান চালু না করায় ভোগান্তি বাড়ছে দক্ষিণ-পঞ্চিম অঞ্চলের যাত্রীদের মধ্যে। ব্যবসা-বাণিজ্য ও দেশের বৃহৎ স্থল বন্দরের সুফল পেতে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট ঢাকা-যশোর দ্রুত ফ্লাইট দাবি জানিয়েছেন তারা।