পণ্যবাহী ও বিশেষ ফ্লাইট চালিয়েই বাংলাদেশ বিমানের আয় ২৩৪ কোটি

করোনা দুর্যোগে আন্তর্জাতিকভাবে যাত্রাবাহী ফ্লাইটে হোঁচট খেলেও ২৩৪ কোটি টাকা আয় করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।
শতাধিক পণ্যবাহী ও চার্টার্ড ফ্লাইট চালিয়ে গত তিন মাসে এ পরিমাণ টাকা আয় করে।
করোনা পরিস্থিতির কারণে ফ্লাইট বন্ধ ঘোষণা করে বিমান। পরে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে মধ্য এপ্রিল থেকে চার্টার্ড ফ্লাইট পরিচালনায় নামে তারা।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আটকে পড়া বাংলাদেশিদের ফেরত আনা শুরু করে বিমান।
শুরুতে ভারত, এরপর মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ, জাপান থেকে যাত্রী নিয়ে আসে।
একইসঙ্গে ঢাকা থেকেও ইতালি, ইংল্যান্ড, পর্তুগাল, স্পেনে একাধিক চার্টার্ড ফ্লাইট পরিচালনা করে।
এছাড়া যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন রুটে পণ্য পরিবহন শুরু করে বিমান।

এপ্রিল থেকে ২৯ জুন পর্যন্ত তিন মাসে ১০৯টির বেশি চার্টার্ড ও কার্গো পণ্যবাহী ফ্লাইট পরিচালনা করেছে বিমান।
এসব ফ্লাইট থেকে ২৩৪ কোটি টাকা আয় করেছে।
এর মধ্যে এপ্রিলে ৪০ কোটি, মে-তে ৯৪ কোটি এবং ২৫ জুন পর্যন্ত ১০০ কোটি টাকা আয় করেছে বিমান।

জুলাইয়ে এই আয় বাড়তে পারে বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মো. মহিবুল হক।

আগামী ৬ ও ৭ জুলাই থেকে এয়ারলাইন্সটি আন্তর্জাতিক আরো দুটি রুটে সিডিউল ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন
সংস্থাটির জনসংযোগ কর্মকর্তা তাহেরা খন্দকার। রুট দুটি হলো, দুবাই ও আবুধাবি।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি সূত্র বলছে, বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া মহামারি করোনায় গোটা বিশ্বের সঙ্গে এভিয়েশন খাত গুটিয়ে নিলেও
বিমান বাংলাদেশ থেমে নেই। শতাধিক পণ্যবাহী ও চার্টার্ড ফ্লাইট চালিয়ে গত তিন মাসে প্রায় আড়াইশ’ কোটি টাকা আয় করেছে।

আরও খবর
আপনার কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published.