কাতার বিশ্বকাপে গ্রুপ, নকআউট এবং কোয়ার্টার ফাইনালে যে বিশেষ বলটি দিয়ে খেলা হয়েছে, তার নাম আল রিহলা। আরবি শব্দগুচ্ছের অর্থ সফর। এবার সেমিফাইনাল এবং ফাইনালের জন্য নতুন বল প্রকাশ্যে এনেছে ফিফার অফিশিয়াল ক্রীড়াসামগ্রী সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান অ্যাডিডাস। খবর হাইপবিস্ট।
‘রিহলা’ অর্থাৎ ৩২টি দলের সফরের মাধ্যমে শুরু হওয়া কাতার বিশ্বকাপে শেষপর্যন্ত টিকে থাকা ৪টি দল এবার স্বপ্নপূরণের লক্ষ্যে ছুটবে। তাই শেষ চারের জন্য ব্যবহৃত বলের নাম রাখা হয়েছে আল হিল্ম। অর্থাৎ ‘স্বপ্ন’।
এবারের বিশ্বকাপের ফুটবলে ব্যবহার করা হয়েছে সেমি অটোমেটেড অফসাইড প্রযুক্তি। যেটি বলের মধ্যে থাকা আইএমইউ সেন্সরের মাধ্যমে এর অবস্থান, অর্থাৎ এটি গোললাইন পার হয়েছে কিনা বা অফসাইড হয়েছে কিনা তা নির্ণয় করে রেফারিকে নির্ভুল তথ্য পৌঁছে দেয়। অবশ্য আল রিহলার সঙ্গে আল হিল্মের প্রযুক্তিগত তেমন পার্থক্য নেই। হিল্মেও সংযুক্ত থাকছে সেমি অটোমেটেড অফসাইড প্রযুক্তির বিভিন্ন ফিচার। তবে বাহ্যিক রং ও ডিজাইনে রিহলার থেকে আলাদা হিল্ম।
কাতারের মরুময় প্রকৃতি এবং বিশ্বকাপের সোনালি ট্রফির প্রতীক হিসেবে বলটিতে ব্যবহার করা হয়েছে সোনালি রং। পাশাপাশি বলের প্যানেলগুলোর ত্রিকোণাকৃতি এবং লাল আভা কাতারের জাতীয় পতাকা এবং দেশটির স্থাপত্য শিল্পের প্রতীক।
আসন্ন আর্জেন্টিনা-ক্রোয়েশিয়া ও মরক্কো-ফ্রান্স ম্যাচসহ বিশ্বকাপের ফাইনাল হবে এই বলে। তৃতীয়-চতুর্থ স্থান নির্ধারণী ম্যাচটিও খেলা হবে আল হিল্ম দিয়ে।