ইসরাইলের প্রধান বিমানবন্দরে হামলা চালালো আইআরআই

ইসরায়েলের রাজধানী তেল আবিবের কাছে দেশটির বৃহত্তম বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা চারিয়েছে বলে দাবি করেছে ইরাকের সশস্ত্র গোষ্ঠী ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স। ইরান-সমর্থিত শিয়া কট্টরপন্থী গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে অন্যতম গোষ্ঠী ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স।

সোমবার এক বিবৃতিতে গোষ্ঠী বলেছে, ‘গাজায় আমাদের লোকেদের সমর্থনে দখলকারী সত্ত্বার (ইসরায়েলের) অভ্যন্তরে বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। যতদিন দখলদারিত্ব বন্ধ হবে না, ততদিন আমরা শত্রুর ঘাঁটি ধ্বংস করতে থাকব।’

এদিকে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে এখনো পর্যন্ত এই ড্রোন হামলার বিষয়ে কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

প্রসঙ্গত, গাজায় ইসরায়েলে অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে, গাজার নিপীড়িত জনগণের প্রতি সমর্থন জানিয়ে অধিকৃত ফিলিস্তিনি অঞ্চলের হাইফা বিমানবন্দর ও ইলাত বন্দরে বেশ কয়েকবার হামলা চালায় ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স।

উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে নজিরবিহীন হামলা চালায় ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস। এো ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলীয় ইরেজ সীমান্ত দিয়ে ইসরায়েলে প্রবেশ করে অতর্কিত হামলা চালায় হামাস যোদ্ধারা। পাশাপাশি ইসরায়েল থেকে প্রায় ২৪০ জনকে জিম্মি হিসেবে গাজায় নিয়ে যায় হামাস।

তারপর ওই দিন থেকেই গাজায় অভিযান শুরু করে ইসরায়েলি। পরে ২৮ অক্টোবর থেকে অভিযানে যোগ দেয় স্থল বাহিনীও। চার মাসের বেশি সময় ধরে ইসরায়েলি হামলায় গাজায় ৩১ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ৭০ শতাংশেরও বেশি নারীও শিশু। এছাড়া আহত হয়েছেন ৭২ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি।
এছাড়াও প্রায় পাঁচ মাস ধরে ইসরায়েলি বর্বরোচিত হামলায় গাজার হাসপাতাল, স্কুল, শরণার্থী শিবির, মসজিদ, গির্জাসহ হাজার হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে, যা গত ৭৫ বছরে ফিলিস্তিনিদের জন্য সবচেয়ে মারাত্মক সংঘর্ষ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

জাতিসংঘের মতে, গাজার প্রায় ৮৫ শতাংশ বাসিন্দা ইসরায়েলি আক্রমণে বাস্তুচ্যুত এবং তাদের সকলেই খাদ্য নিরাপত্তাহীন। অন্যদিকে গাজায় ত্রাণ সরবরাহ কমেছে প্রায় অর্ধেক।

সূত্র: মেহের নিউজ, আল জাজিরা

আরও খবর
আপনার কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published.