শাহ আমানতে আবারও স্বাভাবিক ফ্লাইট চলাচল

টানা বৃষ্টি ও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে সাময়িক বিঘ্নের পর চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইট চলাচল আবারও স্বাভাবিক হয়েছে।

টানা বৃষ্টি ও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে সাময়িক বিঘ্নের পর চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইট চলাচল আবারও স্বাভাবিক হয়েছে। বুধবার (৮ জুলাই) সকাল থেকে সব অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী অবতরণ ও উড্ডয়ন করেছে। এতে যাত্রীদের ভোগান্তি অনেকটাই কমেছে এবং বিমানবন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ফিরে এসেছে।

বিমানবন্দরের জনসংযোগ দায়িত্বে থাকা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল জানান, মঙ্গলবারের তুলনায় বুধবার আবহাওয়ার উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। বৃষ্টি থাকলেও বাতাসের গতি স্বাভাবিক থাকায় বিমান ওঠানামায় কোনো সমস্যা হয়নি। ফলে কোনো ফ্লাইট বিলম্বিত হয়নি এবং সময়সূচিরও কোনো ব্যত্যয় ঘটেনি।

মঙ্গলবার বৈরী আবহাওয়ার কারণে কয়েকটি ফ্লাইটকে বিকল্প ব্যবস্থা নিতে হয়েছিল। আবুধাবি থেকে আসা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিএস-৩৫০ এবং শারজাহ থেকে আসা এয়ার আরাবিয়ার ফ্লাইট জি-৯৫২৭ চট্টগ্রামে অবতরণ করতে না পেরে ঢাকায় সরিয়ে নেওয়া হয়। একই সময়ে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-১২১ ফ্লাইটও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে ঢাকায় ফিরে যায়। এতে অনেক যাত্রীকে অতিরিক্ত সময় অপেক্ষা করতে হয়েছিল।

তবে বুধবার সকাল থেকেই পরিস্থিতি বদলে যায়। শারজাহ থেকে এয়ার আরাবিয়া ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট, মাস্কাট থেকে সালামএয়ার ও ইউএস-বাংলার ফ্লাইট, দুবাই থেকে ফ্লাইদুবাইয়ের সেবা এবং আবুধাবি ও জেদ্দা থেকে বিমান বাংলাদেশের ফ্লাইট নির্ধারিত সময়ে চট্টগ্রামে অবতরণ করে। একইভাবে ঢাকা থেকে পরিচালিত অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটগুলোও যথাসময়ে গন্তব্যে পৌঁছেছে।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আবহাওয়ার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং যাত্রীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সব কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। প্রয়োজনে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও যাত্রীরা স্বাভাবিক ফ্লাইট চলাচল শুরু হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। পর্যটন ও বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই বিমানবন্দরে নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা চট্টগ্রাম অঞ্চলের অর্থনীতির জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কর্তৃপক্ষ আশা করছে, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আগামী দিনগুলোতেও ফ্লাইট পরিচালনা নির্বিঘ্ন থাকবে এবং যাত্রীরা নির্বিঘ্ন ভ্রমণের সুযোগ পাবেন।

আরও খবর
আপনার কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published.

EN