‘বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে’

বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার না হলে গণপ্রতিরোধ গড়ার কথা জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা না করে সম্পূর্ণ গণবিরোধী এ নিশিরাতের সরকার বিদ্যুৎ ও ওয়াসার পানির মূল্যবৃদ্ধি করেছে। গণমানুষ, ভোক্তা অধিকার কিংবা ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর যুক্তি-অনুরোধ কোনো কিছুরই তোয়াক্কা না করে যখন মন চাচ্ছে গ্যাস-বিদ্যুৎ-পানির দাম বাড়িয়ে জনগণের পকেট কাটছে। জনগণকে শোষণ করে আওয়ামী সিন্ডিকেটের মুনাফার জন্য সরকার বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি করেছে।শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

রিজভী বলেন, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে বাণিজ্য মন্দা এবং বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দর পতনের মধ্যেই দেশে সব পর্যায়ে বিদ্যুতের পাইকারি ও খুচরা মূল্যবৃদ্ধির একমাত্র কারণ হলো লুটপাট। মূল্যবৃদ্ধির মাধ্যমে গ্রাহকদের পকেট থেকে বছরে দুই হাজার কোটি টাকা লুটে নেবে আওয়ামী সিন্ডিকেট।

তিনি বলেন, আওয়ামী দুঃশাসকদের আমলে এ নিয়ে ৯ বার বাড়ানো হলো বিদ্যুতের দাম। বারবার বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর ফলে সাধারণ মানুষের পিঠ দেয়ালে ঠেকেছে। শিল্প মালিকদেরও ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি দশা। দেশীয় শিল্প কারখানা ধ্বংস করে লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান বন্ধের মাধ্যমে দেশকে বড় ধরনের বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দেয়ার চক্রান্ত চলছে। বিদ্যুৎ গ্যাসের দাম বৃদ্ধির কারণে উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ার প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার সক্ষমতা হারাচ্ছে শত শত প্রতিষ্ঠান। গ্যাসের দাম বাড়ানোর মাত্র আট মাসের মাথায় আবার বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হলো।

রিজভী বলেন, জনগণ বিশ্বাস করে, আদালতের ন্যূনতম স্বাধীনতা থাকলে বেগম খালেদা জিয়া জামিন পেতেন। এ দেশে ফাঁসির আসামিরাও জামিন পায়। শত শত কোটি টাকা লুট করা ব্যক্তিরাও জামিন পায়। অথচ একজন মাত্র ব্যক্তির ক্ষমতালিপ্সা আর প্রতিহিংসার কারণে খালেদা জিয়াকে নিজের পছন্দমতো সুচিকিৎসার সুযোগ দিতে জামিনও দেয়া হচ্ছে না।

আরও খবর
আপনার কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published.