বাংলাদেশে পোশাকখাতে সুশাসনের ক্ষেত্রে অগ্রগতি সন্তোষজনক বলে জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারের মেঘমালা সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে টিআইবি এসব তথ্য জানান। তৈরি পোশাক খাতে সুশাসন : অগ্রগতি চ্যালেঞ্জ ও করণীয় শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপনের জন্য এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
পোশাক খাতে সুশাসনের জন্য গৃহীত ১০২টি উদ্যোগের মধ্যে টিআইবি গত এক বছরে ৬৮টি উদ্যোগের অগ্রগতি পর্যালোচনা গবেষণা শেষে এ সংবাদ সম্মেলন করে।
টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, পোশাক খাতে সুশাসনের ক্ষেত্রে ৭৭ শতাংশ উদ্যোগ পুরোপুরি বা আংশিকভাবে বাস্তবায়ন হয়েছে বা হচ্ছে। তাই বলা যায় এখাতে অগ্রগতি সন্তোষজনক।
তিনি বলেন, প্রায় ৯২ শতাংশ কারখানায় নূন্যতম মজুরি প্রদান করা হয়। অধিকাংশ রপ্তানিমুখী কারখানায় শ্রমিকদের জরুরি নম্বরসহ পরিচয়পত্র দেওয়া হয়েছে। বিজিএমই এ কর্তৃক শ্রমিকদের দক্ষতা উন্নয়নে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট এর সিপও প্রজেক্টের আওতায় ৪৩ হাজার ৮০০ জনকে প্রশিক্ষণ ও প্রশিক্ষণ পরবর্তী চাকরির ব্যবস্থা চলমান। এ ছাড়া রানা প্লাজায় দুর্ঘটনায় হতাহত শ্রমিকদের সহায়তায় সংগৃহিত প্রায় ৩০ মিলিয়ন ইউএস ডলার বিতরণ করা হয়েছে।
শ্রমিকদের অতিরিক্ত কর্মঘণ্টা দৈনিক দুই ঘণ্টা থেকে চার ঘণ্টায় পরিবর্তন করা হয়েছে। ২০১৩ সালে শ্রম আইন সংশোধনের পর এখন পর্যন্ত ৩৫১টি নতুন ট্রেড ইউনিয়ন নিবন্ধিত হয়েছে। বর্তমানে মোট ইউনিয়নের সংখ্যা ৪৮৩টি।
এ ছাড়া পোশাক খাতে পুরোপুরি সুশাসন নিশ্চিত করতে টিআইবি ১০টি সুপারিশ প্রস্তাব করেছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন টিআইবির উপনির্বাহী পরিচালক ড. সুমাইয়া খায়ের, রিচার্স অ্যান্ড পলিসি পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল হাসান, প্রোগাম ম্যানেজার মনজুর-ই- খোদা ও অ্যাসিসটেন্ট প্রোগাম ম্যানেজার নাজমুল হুদা মিনা।