দেশি-বিদেশি পর্যটক আকর্ষণে শুরু হওয়া তিন দিনব্যাপি ‘বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলা-২০১৬’ শেষ হচ্ছে আজ। বৃহস্পতিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু এ মেলার উদ্বোধন করেন।
বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন ফর ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট (বিএফটিডি) এ মেলার আয়োজক। মেলায় দেশি-বিদেশি এয়ারলাইন্সসহ ট্যুরিজম সেক্টর প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সেবা তুলে ধরে।
এতে বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, চীন, নেপাল, ভুটান, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, কম্বোডিয়া, সিঙ্গাপুর, মায়ানমার, ইন্দোনেশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের ১১০টি স্টলে প্রায় ৫০০ পর্যটন শিল্প উদ্যোক্তা অংশ নেন।
বিদেশি পর্যটকদের দেশের প্রতি আকৃষ্ট করতে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ১৯ মে (বৃহস্পতিবার) শুরু হওয়া এ মেলা চলবে আগামী শনিবার রাত ৮টা পর্যন্ত। মেলার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন ফর ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট (বিএফটিডি)।
মেলার আয়োজক ও বিএফটিডির নির্বাহী পরিচালক ও মেলা কমিটির সদস্য সচিব রেজাউল একরাম রাজু বলেন, এবারের মেলায় প্রথমবারের মতো চীন, মিয়ানমার, ফিলিপাইন, ভুটান অংশগ্রহণ করেছে। মেলায় ১১০টি স্টল রয়েছে। দেশি-বিদেশি এয়ারলাইন্সসহ ট্যুরিজম সেক্টর প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সেবা তুলে ধরেছে।
তিনি বলেন, মেলায় দেশি-বিদেশি ৮০টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। তিন দিনের এই মেলায় হোটেল, মোটেল এবং ট্যুর অপারেটররা বিভিন্ন প্যাকেজে ব্যাপক ছাড় দেয়ায় দর্শনার্থীদের মধ্যে বিশেষ উৎসাহ লক্ষ্য করা গেছে।
এদিকে পর্যটনের সাথে জড়িত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানগুলোও বলছে, গত বেশ কয়েক বছর ধরেই দেশের অভ্যন্তরে ভ্রমণ আগের চেয়ে বেড়েছে।
মেলায় অংশগ্রহণকারী দেশীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরাও বলছেন, এ ধরনের মেলা থেকে বাংলাদেশের পর্যটকদের দেশের অভ্যন্তরে পর্যটনে আকৃষ্ট করার জন্য নানাভাবে চেষ্টা করে যাচ্ছেন। এদের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশি ট্রাভেল এজেন্সি, কক্সবাজারের মতো পর্যটন স্থানে লাক্সারি হোটেল নির্মাতা এবং বাংলাদেশি এয়ারলাইন্সের মতো সংস্থা।
বাংলাদেশের পর্যটকদের আকৃষ্ট করার জন্য মালয়েশিয়া, নেপাল এবং থাইল্যান্ডের জাতীয় পর্যটন সংস্থাও এই মেলায় অংশ নিচ্ছে।
আয়োজকরা বলছেন, প্রতিবছরই এ ধরনের মেলায় ভ্রমণে আগ্রহীদের সংখ্যা বাড়ছে। তবে বাংলাদেশের পর্যটন স্থানগুলোতে যাতায়াত অবকাঠামোর উন্নতি করা গেলে দেশের অভ্যন্তরে পর্যটন আরো অনেক বৃদ্ধি পাবে ।
– See more at: https://aviationnewsbd.com/?p=13698#sthash.lnPdNU7T.dpuf