নিয়মিত ফ্লাইট চালু হওয়ায় কর্মব্যস্ত শাহজালাল বিমানবন্দর

করোনার দ্বিতীয় ধাক্কায় দুই সপ্তাহ বন্ধ থাকার পর আন্তর্জাতিক রুটে আবার শুরু হয়েছে সিডিউল ফ্লাইট।
শুক্রবার রাত বারোটার পর থেকেই ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ফ্লাইট চলাচল শুরু হয়।
আগের সিডিউলের সামান্য হেরফের করে চলছে এ সব ফ্লাইট।
প্রাথমিকভাবে আপাতত ১২ দেশ বাদে বিশ্বের অন্যান্য ৩৮ দেশে চলাচল করছে ফ্লাইট।
এ ছাড়া বাবল এয়ারের ফ্লাইটগুলোও স্থগিত থাকবে।
এদিকে গত দুদিনে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দিবারাত্রি সার্বক্ষণিক ফ্লাইট চালু আবারও কর্মব্যস্ততা চোখে পড়ে।
লকডাউনের আগের চিত্র দেখা যায় বিমানবন্দরের ভেতর ও বাইরে।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী- ফ্লাইট নিষিদ্ধের তালিকায় রয়েছে ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকাসহ ১২টি দেশ।
আপাতত এসব দেশে সাময়িকভাবে আকাশপথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। করোনার হার বিবেচনায় ৩৮টি দেশে চলাচলের ওপর বিশেষ শর্ত আরোপ করা হয়েছে।
এর ফলে এয়ার বাবল ফ্লাইটগুলো স্থগিত থাকবে।
তবে অতি ঝুঁকিপূর্ণ দেশসমূহের সঙ্গে সাময়িক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন এবং ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলো থেকে আসা যাত্রীদের ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
এই দুই তালিকার বাইরে থাকা দেশ থেকে আসা যাত্রীদের করোনা নেগেটিভ সনদ প্রদর্শন সাপেক্ষে ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টাইন কঠোরভাবে পালনের নির্দেশও দেয়া হয়েছে।
তবে মধ্যপ্রাচ্যের তিন দেশ কাতার, বাহরাইন ও কুয়েত ঝুঁকিপূর্ণ দেশের তালিকায় থাকলেও সেখান থেকে আগতদের ৩ দিনের প্রতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন ব্যবস্থাপনা অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।
নিষিদ্ধের তালিকাভুক্তির দেশে যদি কোন বাংলাদেশী নাগরিক আটকা পড়ে থাকে তবে তাদের বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনা করে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে বলে জানিয়েছেন বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ারভাইস মার্শাল মোঃ মফিদুর রহমান।

আরও খবর
Loading...