মালয়েশিয়া মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণরোধে দুই সপ্তাহের কড়া লকডাউনে যাচ্ছে। ১ জুন মঙ্গলবার থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত সম্পূর্ণ লকডাউন কার্যকরের সিদ্ধান্ত নেয়া হয় দেশটির জাতীয় সুরক্ষা কাউন্সিলের বৈঠকে।
গত এক সপ্তাহে প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় এবারের লকডাউনে প্রয়োজনীয় কিছু প্রতিষ্ঠান ছাড়া সবকিছুই বন্ধ থাকবে। পাশাপাশি করোনা সংক্রমণের ঝুঁকিতে থাকা বাংলাদেশসহ ২৫ দেশের নাগরিকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে মালয়েশিয়া।
এ ছাড়া লকডাউনের মধ্যেই দেশটিতে বসবাসরত অবৈধ বিদেশী অভিবাসীদের আটকে সরকার কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হামজা জয়নুদিন এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, জেআইএম জাতীয় নিবন্ধকরণ বিভাগ (এনআরডি) এবং পুলিশের সাথে এই কার্যক্রম পরিচালনা করবে। অভিযানে গ্রেফতারকৃতদের জন্য অতিরিক্ত আটক কেন্দ্র বরাদ্দ রাখতে ডিটেনশন সেন্টার প্রস্তুত রয়েছে।
আইনজীবী ফর লিবার্টির (এলএফএল) সমন্বয়কারী জায়েদ মালেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এমন বিবৃতিতে প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
জায়েদ মালেক এক বিবৃতিতে বলেছেন, অনিবন্ধিত অভিবাসীদের টার্গেট করার অজুহাত হিসেবে লকডাউন ব্যবহারের “আন্ডারহ্যান্ডড কৌশল” বিদ্যমান স্বাস্থ্য সংকটকে আরও খারাপ করবে। অনিবন্ধিত অভিবাসীদের বিরুদ্ধে গণঅভিযান পরিচালনার পরিকল্পনার পুনর্বিবেচনা করার জন্য সরকারকে অনুরোধ জানিয়েছেন জায়েদ মালেক।
মালয়েশিয়ায় চলমান মহামারি রোধে বিভিন্ন এসওপি এবং চলাচল নিয়ন্ত্রণ আদেশ (এমসিও) পর্যায়ক্রমে এক বছরের বেশি সময় হয়ে গেলেও কমছে না মৃত্যু ও সংক্রমণের সংখ্যা।
