দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হওয়া সত্ত্বেও চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানির জন্য বাড়েনি বিমানে পণ্য পরিবহন সুবিধা।
পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে নানা উপলক্ষ্যে এই বিমানবন্দরে একটি বিশ্বমানের কার্গো ভিলেজ নির্মাণের ঘোষণা দেওয়া হলেও তা নির্মিত হয়নি।
তার ওপর রানওয়ের কম দৈর্ঘ্যসহ নানা জটিলতায় এই বিমানবন্দরে বড় কার্গো বিমান নামার সুযোগ তৈরি না হওয়ায় এখানে বাণিজ্যিকভাবে এয়ারফ্রেইট কার্যক্রম বিকশিত হতে পারছে না বলে মন্তব্য করেছে চট্টগ্রামের বিভন্ন ব্যবসায়ী সূত্র।
ব্যবসায়ী সূত্রগুলো জানায়, চট্টগ্রামের বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, ইপিজেডসহ সব শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জরুরি রপ্তানি প্রয়োজনে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের কোনো সুবিধা তারা পাচ্ছেন না।
ফলে জরুরিভাবে পণ্য রপ্তানি করতে হলে তাদের ঢাকা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মুখাপেক্ষী হতে হচ্ছে।
রপ্তানিযোগ্য পণ্য সড়ক পথে পাঠাতে হচ্ছে ঢাকায়।
এতে একদিকে যেমন বিস্তর সময় ব্যয় হচ্ছে অন্যদিকে পরিবহন খরচও বেড়ে যাচ্ছে অনেক।
কোনো কিছু জরুরিভাবে আমদানির ক্ষেত্রেও একই সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন বলে তারা জানান।
জরুরি বিভাগে চিকিৎসক না থাকায় রোগীর মৃত্যু!
জরুরি বিভাগে চিকিৎসক না থাকায় রোগীর মৃত্যু!
শিপার্স কাউন্সিলের চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম বলেন, প্রয়োজন রয়েছে বলেই চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আন্তর্জাতিক এয়ার ফ্রেইট সুবিধা বাড়ানো দরকার।
এতে ব্যবসায়ীরা নানা সমস্যা থেকে রেহাই পাবেন।