রোনালদোকে কেনার পর ঝড়ো গতিতে বাড়ছে আল নাসের ক্লাবের ফলোয়ার

ফুটবলবিশ্বকে চমকে দিয়ে সৌদি আরবের ক্লাব আল নাসেরের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো।

পর্তুগিজ ফুটবলের ‘যুবরাজ’ যোগ দিতেই ঝড়ের গতিতে বাড়তে শুরু করেছে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে সৌদি ক্লাবটির ফলোয়ার সংখ্যা।

২০২২ বিশ্বকাপের মাঝেই শোনা যাচ্ছিল গত এক দশকে বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলারের গন্তব্য হতে পারে সৌদি আরবের প্রো লিগের ক্লাব আল নাসের। এবার এলো আনুষ্ঠানিক ঘোষণাও।

শুক্রবার রাতে রোনালদোকে নেওয়ার কথা জানায় আল নাসের। ৩৭ বছর বয়সী তারকার সঙ্গে তাদের চুক্তির মেয়াদ ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত।

ক্লাবটিতে রোনালদোর বার্ষিক বেতন হবে ৭৫ মিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশি টাকায় যা ৭০০ কোটিরও বেশি। সবমিলিয়ে প্রায় ২০০ মিলিয়ন ইউরোর সমপরিমাণ আর্থিক চুক্তির কথা শোনা যাচ্ছে।

আল নাসেরে যোগ দিয়ে রোনালদো আর্থিকভাবে লাভবান হবেন সন্দেহ নেই। তবে সৌদির শীর্ষ ক্লাবটিও সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ উইঙ্গারের নাম ব্যবহার করে লাভের মুখ দেখতে শুরু করেছে। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে তাদের ফলোয়ারের সংখ্যা বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। ‘ইএসপিন’-এর হিসাব অনুযায়ী, রোনালদোর চুক্তি স্বাক্ষরের আগে ইনস্টাগ্রামে আল নাসেরের ফলোয়ার সংখ্যা ছিল ৮ লাখ ৬০ হাজারের মতো। চুক্তির আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরেই সংখ্যাটা দ্বিগুণ হয়ে যায়।

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ইনস্টাগ্রামে আল নাসেরের ফলোয়ার সংখ্যা ছিল ৫৪ লাখের বেশি। এর মধ্যে নতুন ক্লাবের জার্সি হাতে রোনালদোর একটি ছবিতে প্রায় ৩০ মিলিয়ন লাইক পড়েছে। তাছাড়া টুইটারে ৫ লাখের কম ফলোয়ার সংখ্যা ছিল তাদের। এখন সেই সংখ্যা ৩৬ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই সংখ্যা যে আরও বাড়বে সন্দেহ নেই। অর্থাৎ সৌদি আরব তো বটেই, খুব শিগগির এশিয়ার সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্লাবের তালিকায়ও শীর্ষে পৌঁছে আল নাসের।

এদিকে আল নাসেরে যোগ দেওয়ার মধ্যে দিয়ে সম্ভাব্য ইতি ঘটে গেল ইউরোপিয়ান ফুটবলের অন্যতম মহাতারকা রোনালদোর পথচলা। পাঁচবার ব্যালন ডি’অর জয়ী জিতেছেন সমানসংখ্যক চ্যাম্পিয়ন্স লিগ। এই টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ ১৪০ গোলও রয়েছে তার দখলে। ৪৫০ গোল নিয়ে রিয়াল মাদ্রিদের সর্বোচ্চ গোলদাতা রোনালদো।

আন্তর্জাতিক ফুটবলেও সবচেয়ে বেশি ১১৮ গোল পর্তুগালের এই তারকার। যদিও সময়টা একদমই ভালো যাচ্ছে না তার। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে চলতি মৌসুমে এক গোল করেছিলেন তিনি। পরে পর্তুগালের হয়ে বিশ্বকাপে কেবল একটি গোল করেছিলেন পেনাল্টি থেকে। ক্লাব ও জাতীয় দলে বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে বেঞ্চে।

আরও খবর
আপনার কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published.