বিটিভির ৬০ বছর উপলক্ষে থাকছে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান

বিশ্বে বাংলা ভাষার প্রথম টেলিভিশন বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি)। আগামীকাল ২৫ ডিসেম্বর গৌরবোজ্জ্বল ৫৯ বছর পেরিয়ে ৬০ বছরে পদার্পণ করছে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি)। বিটিভি পরিবারের সদস্যরা বর্ণাঢ্য আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে দিনটি পালন করবেন। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. হুমায়ুন কবীর খোন্দকার। এমনটাই জানিয়েছেন বিটিভির ঢাকা কেন্দ্রের জেনারেল ম্যানেজার মাহফুজা আক্তার।

দিনটি উপলক্ষে বিটিভি প্রাঙ্গণে আয়োজন করা হয়েছে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং কলাকুশলী ও শুভার্থীদের মিলনমেলার। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গান গাইবেন শিল্পী ফরিদা পারভীন, রফিকুল আলম, নকিব খান, নিশিতা বড়ুয়া, অনুপমা মুক্তি, রাজীব, সালমা ও ব্যান্ড ‘চিরকুট’। আরও থাকছে ওয়ার্দা রিহাব ও ইভান শাহরিয়ার সোহাগের পরিচালনায় নৃত্য।

এ ছাড়া দিনব্যাপী বিটিভির পর্দায় থাকবে নানান পরিবেশনা। সকাল ৮টার সংবাদের পর সরাসরি গানের অনুষ্ঠান ‘আজকের সকাল’-এর বিশেষ পর্বে গাইবেন শিল্পী অনিমা রায় ও আয়েশা জেবিন দীপা। দুপুর ১২টার সংবাদের পর চিত্রশিল্পীদের চিত্রাঙ্কন ও সরাসরি আলোচনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন কেরামত মাওলা, রফিকুন্নবী, আব্দুল মান্নান। বেলা ৩টায় থাকছে সরাসরি বিশেষ অনুষ্ঠান ‘বিটিভি নাটকের একাল-সেকাল’। পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থাপনায় আড্ডায় থাকবেন ম হামিদ, ডলি জহুর, আব্দুল মান্নান, রওনক হাসান, স্বাগতা ও বৃন্দাবন দাস।

সংগৃহীতএ ছাড়া দিনব্যাপী স্বনামধন্য সংগীতশিল্পীদের গানের সংকলন, ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানের সংকলন, প্রামাণ্য অনুষ্ঠান ডিআইটি থেকে রামপুরা, স্মৃতিচারণ ও শুভেচ্ছাবাণী প্রচারিত হবে। বাংলাদেশ টেলিভিশনের গৌরবোজ্জ্বল ৬০ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে বিটিভির কলাকুশলী, বিজ্ঞাপনদাতা ও দর্শকদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিটিভির মহাপরিচালক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম।

উল্লেখ্য, ১৯৬৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর ঢাকার তৎকালীন ডিআইটি ভবনের নিচতলায় টেলিভিশন চ্যানেলটির যাত্রা শুরু। এরপর সরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশের জন্মের পরের বছর যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ টেলিভিশন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশে আধুনিক প্রযুক্তি সংযুক্ত করে ১৯৭৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি ডিআইটি ভবন থেকে বিটিভিকে রামপুরায় নিজস্ব ভবনে আনা হয়। ১৯৮০ সালে দর্শকদের রঙিন পর্দা উপহার দেওয়ার মাধ্যমে নতুন যুগে পদার্পণ করে বিটিভি। বিটিভির সম্প্রচার এখন এইচডি (হাই ডেফিনেশন) এবং টেরেস্ট্রিয়াল, স্যাটেলাইট ও মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে মানুষের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে। যুগোপযোগী পরিবর্তনের অঙ্গীকার আর প্রত্যয়ের মধ্য দিয়ে এবার ৬০ বছরে পা রাখছে রাষ্ট্রীয় এই গণমাধ্যম।

আরও খবর
আপনার কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published.