ইসরায়েলি বিমান হামলায় ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাসের এক ঊর্ধ্বতন নেতা মারওয়ান ইসা মারা গেছেন বলে জানিয়েছেন হোয়াইট হাউজের কর্মকর্তা জ্যাক সালিভান।
গতবছর ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় শুরু হওয়া ইসরায়েলি অভিযানে এই প্রথম হামাসের সবচেয়ে ঊর্ধ্বতন নেতার মৃত্যু হল। হামাসের উপ-সামরিক কমান্ডার ছিলেন তিনি।
তবে গাজার নিয়ন্ত্রণে থাকা ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী হামাস মারওয়ান ইসার মৃত্যুর খবরে আনুষ্ঠানিক কোনও মন্তব্য করেনি।
ইসরায়েলি গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, গতসপ্তাহে মধ্য গাজার নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরের নিচে একটি টানেল কমপ্লেক্সে ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত হন মারওয়ান ইসা।
হামাসের সামরিক শাখা ইজেদিন আল-কাসাম ব্রিগেডের ডেপুটি কমান্ডার মারওয়ান ইসাকে ইসরায়েলের মোস্ট ওয়ান্টেডদের একজন বলেই গণ্য করা হত। ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এই হামাস নেতাকে সন্ত্রাসের কালো তালিকাভুক্ত করেছে এবং ৭ অক্টোবরের হামলায় তাকে সরাসরি সম্পৃক্ত করেছে।
প্রথম ফিলিস্তিনি ইন্তিফাদার সময় ইসরায়েল ওই হামাস নেতাকে ৫ বছরের জেল দিয়েছিল এবং ২০০০ সালে দ্বিতীয় ইন্তিফাদা শুরুর আগে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষ তাকে আটকে রেখেছিল।
গতবছর ৭ অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত হামাসের বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন নেতাকে হত্যা করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। হামাসের রাজনৈতিক নেতা সালেহ আল-আরৌরি বৈরুতের দক্ষিণ উপকণ্ঠ দাহিয়েহ এলাকায় বিস্ফোরণে মারা গেছেন। ওই হামলার জন্যও ইসরায়েলকেই দায়ী করা হয়।
