বিরল দৃশ্যের সাক্ষী হলো বিশ্ববাসী, সূর্যগ্রহণে অন্ধকারাচ্ছন্ন দিনের আকাশ

বহুল প্রতীক্ষিত পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। সূর্যগ্রহণটি প্রথম প্রত্যক্ষ করেছেন মেক্সিকোর মাজাতলানের বাসিন্দারা। ইস্টার্ন টাইম জোন অনুযায়ী ২টা ৭ মিনিটে ( বাংলাদেশর সময় সোমবার রাত ৯টা ১৩ মিনিট) দেশটিতে সূর্যগ্রহণ শুরু হয়। এ সময় চাঁদ সূর্যকে পুরোপুরি ঢেকে ফেলায় ওই অঞ্চলটি অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি। যা ৪ মিনিটেরও বেশি সময় স্থায়ী ছিল। বিরল এ দৃশ্য দেখে জনগণ উল্লাস ও করতালিতে ফেটে পড়ে।

পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ সরাসরি সম্প্রচার করেছে রয়টার্স। এ সময় তারা জানায়, সূর্য ও পৃথিবীর মধ্যকার কক্ষপথে চাঁদের আগমন হয়। চাঁদের ছায়ায় পৃথিবীর একটা অংশ সম্পূর্ণ ঢেকে তৈরি হয় পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ। ফলে পৃথিবীর ওই অংশে নেমে আসে রাতের মতো অন্ধকার। মহাজাগতিক এমন পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণের দৃশ্য দেখার জন্য কোটি কোটি মানুষ উন্মুখ হয়ে ছিল।

মেক্সিকোর প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূল থেকে টেক্সাস হয়ে কানাডায় এবং পরে যুক্তরাষ্ট্রের ১৪টি রাজ্যে প্রসারিত হয় অন্ধকার। সূর্যগ্রহণ উপভোগ করতে বিশেষ চশমা পরে টেক্সাস ও যুক্তরাষ্ট্রের নানা জায়গায় ভিড় করেছেন সাধারণ মানুষ। এর মধ্যে সবেচেয়ে মনোরম জায়গার পরিচিতি পেয়েছে নায়াগ্রা জলপ্রপাত সংলগ্ন এলাকা। আর সেই কারণে ভিড় জমেছে সেখানে। সম্পূর্ণ সূর্যগ্রহণ দেখতে উত্তর আমেরিকায় একটি পার্কে প্রায় তিন হাজার মানুষ জড়ো হন। সূর্যগ্রহণ শুরু হলে সেখানে অর্ধেকের বেশি মানুষ আনন্দে চিৎকার শুরু করেন, আর বাকি অর্ধেক ভয়ে নীরব হয়ে যান। কারণ তখন সেখানে অন্ধকার নেমে আসছিল। এ ছাড়া স্পেন, যুক্তরাজ্য, পর্তুগালসহ অন্য আরো কয়েকটি দেশের নাগরিকরা আংশিক সূর্যগ্রহণ দেখতে পান।

তবে এ সূর্যগ্রহণ পাকিস্তান, শ্রীলংকা, নেপাল প্রভৃতি দেশসহ ভারত ও বাংলাদেশে  সূর্যগ্রহণ দেখার সৌভাগ্য হয়নি।। কারণ সেই সময় এ দেশে রাত।

আরও খবর
আপনার কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published.