এয়ার ফ্রান্স, ক্যাথে প্যাসিফিক বা ইউনাইটেড এয়ারলাইনসের মতো বৈশ্বিক সংস্থাগুলো যখন জ্বালানির খরচ সামলাতে ভাড়া বাড়াচ্ছে বা ফ্লাইট কমিয়ে দিচ্ছে, তখন এমিরেটস, ইতিহাদ এবং ফ্লাইদুবাই তুলনামূলক সুবিধাজনক অবস্থায় আছে।
এমিরেটস এয়ারলাইনস তাদের সর্বশেষ আর্থিক বছরে বড় অঙ্কের মুনাফা এবং প্রায় ৪৯.৭ বিলিয়ন দিরহাম নগদ অর্থ হাতে রেখেছে।
ইতিহাদ এয়ারলাইনস গত বছর রেকর্ড যাত্রী পরিবহন করেছে এবং তাদের মুনাফাও বেশ সন্তোষজনক।
যেখানে বিশ্বের অনেক এয়ারলাইনস ১০% থেকে ১৫% ভাড়া বাড়িয়ে দিচ্ছে বা হাজার হাজার ফ্লাইট বাতিল করছে, সেখানে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাহকগুলো তাদের আর্থিক সক্ষমতার কারণে এখনই বড় কোনো দাম বাড়ানোর চাপে নেই।
